- বিজ্ঞাপন -
হোম আপনার পৃষ্ঠা বেঙ্গল ডিফেন্স কাকোরী ট্রেন লুন্ঠনের ৯৫ তম বর্ষ – বেঙ্গল ডিফেন্স

কাকোরী ট্রেন লুন্ঠনের ৯৫ তম বর্ষ – বেঙ্গল ডিফেন্স

লুকিয়ে ফেলা হলো লুটের টাকা। রামপ্রসাদ ছাড়া আর কেউই জন্য না তার হদিস। যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল তারা ছড়িয়ে পড়লো এদিক ওদিকে। মন্মথ গুপ্তের কাছে লখনও শহর অপরিচিত। মাঠেই কাটিয়ে দিলেন রাত। ভোরবেলা হকারের হাতে ইন্ডিয়ান ডেলি টেলিগ্রাফের হেডলাইন দেখলেন মন্মথ। বড় বড় হরফে লেখা, 'Sensational Train Hold -up at Kakori' ... আশ্চর্য হলেন রিপোর্ট পড়ে।

0
50
- বিজ্ঞাপন -

আজকের মতো সেদিনও ছিল আগস্ট মাসের ৯ তারিখ, বারটাও ছিল রবিবার, ১৯২৫ সাল। ট্রেন চলেছে কাকোরী থেকে লখনউ। এ যে সে ট্রেন নয়। এ হলো রীতিমতো মালদারখাজনা ভরা ট্রেন। স্টেশনে স্টেশনে ঘুরে সারা দিনের টিকিট বিক্রির টাকা সংগ্রহ করে। সন্ধ্যাবেলা সেই টাকা এসে জমা দেয় লখনউতে। এই ট্রেনের জনা দশেক যাত্রী আমাদের আজকের গল্পের হিরো। তারা ছড়িয়ে আছে ট্রেনের বিভিন্ন কামরায়। আশফাকুল্লাহ খান , রাজেন লাহিড়ী ও শচিন বকশী আরাম কেদারায় গা এলিয়ে যাচ্ছে দ্বিতীয় শ্রেণীতে। আর ‘গান্ধী ক্লাসের’ যাত্রী রামপ্রসাদ বিসমিল, চন্দ্রশেখর আজাদ , মুকুন্দিলাল , মুরারীলাল , কুন্দনলাল , বানোয়ারীলাল ও মন্মথ গুপ্ত।

সবে সন্ধ্যা হয়েছে। গোধূলি বলে যাকে। রোম্যান্টিক লগ্ন।

- বিজ্ঞাপন -

আরো পড়ুনঃ বাণিজ্যনগরী কলকাতার স্রষ্টা কি বাঙালি তন্তুবণিক শেঠ-বসাক পরিবার?

একটা হেঁচকা দিয়ে ট্রেন থেমে গেল। কি ব্যাপার ? কেউ বোধহয় চেন টেনেছে। উৎসুক যাত্রী জানালা দিয়ে মাথা বার করতেই গুড়ুম গুড়ুম গুলি ছুটল। চমকে উঠলো যাত্রীরা। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনের দুধারে ভোজবাজির মতো দাঁড়িয়ে গেল এক দল মানুষ। পলক ফেলবার আগেই কয়েকজন ছুটলো গার্ড সাহেবের সাথে মোকাবিলা করার জন্য। তাকে ধরাশায়ী করা হল। সে শুধু ট্রেনের গার্ড নয়, টাকার পাহারাদার। লোহার সিন্দুক তার জিম্মায়। বার করা হলো সেই লক্ষীর ঝাঁপি।

আরো পড়ুনঃ স্বাধীনতা সংগ্রামী “সুরেশ দে” প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় শ্রীলেদার্স”

ঘড়ির কাঁটা মেপে এগোচ্ছে কাজ। কার কি দায়িত্ব আগে থেকে ছকা। ছেনি আর হাতুড়ি দিয়ে সিন্দুক ভাঙার চেষ্টা চলছে। এর মধ্যেই যাত্রীদের আশ্বাস দেওয়া হলো, তাদের গায়ে কেউ হাত তুলবে না। তারা নির্ভয়ে গাড়ির ভিতরে বসে থাকতে পারে। অভিযাত্রীদের একমাত্র আগ্রহ সরকারী টাকায়। তবে কেউ বাইরে বেরোবার চেষ্টা করলেই বুঝতে হবে যে তার মরণের পাখা গজিয়েছে।

সব নিঃঝুম , নিঃস্তব্দ্ধ। কেবল সন্ধ্যার আবছা অন্ধকার বিদীর্ণ করে দমাদম হাতুড়ির ঘা পড়ছে লোহার সিন্দুকের ওপর। খুলতে চাইছে না সিন্দুক — যেন কিছুতেই ঘোমটা খুলবে না সে ।
রামপ্রসাদের তাগড়াই চেহারা। সে সিন্দুকের সঙ্গে মল্লযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। আশফাকও গায়ের জোরে কম যায় না। মাউজার বন্দুকটা রাজেন লাহিড়ীর হাতে দিয়ে সেও লেগে পড়লো সিন্দুককে বেইজ্জত করার মিশনে।

আরো পড়ুনঃ বিশ্বে মাতৃভাষা আন্দোলনের অন্যতম উজ্জ্বল নজির – ১৯৬১ এর ১৯শে মে – শিলচর ভাষা আন্দোলন

হঠাৎ অন্য লাইনে ঝিক ঝিক আওয়াজ শোনা গেল। কোনো ট্রেন আসছে কি ? একটু পরেই আশংকা সত্যি করে উঁকি মারলো হেডলাইটের আলো। তাদের দিকেই আসছে। তাহলে কি আগের স্টেশনে ট্রেন আক্রমণের খবর পৌঁছে গেছে ?ইংরেজ কুত্তা কি তাহলে টাকা আর ট্রেন উদ্ধার করার জন্য লোক-লস্কর পাঠাচ্ছে ? গোরা সাহেবদের টিকটিকি কি আগে ভাগে তাদের পরিকল্পনার কথা জানতো ? সেজেগুজে বসেছিল যাত্রীদের মধ্যে ? হয়তো যাত্রা শুরু করেছে প্রথম বাঁশি শুনেই ? হাতে নাতে ধরে ফেলবে ! একদম red – handed !

কথাটা মনে হতেই শিরদাঁড়ার মধ্যে বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূতি বয়ে গেল রামপ্রসাদের। ডিপ্রেসিং ভাবনা জেঁকে বসলো মনে। সিন্দুকের সাথে ধ্বস্তাধ্বস্তি ছেড়ে থমকে দাঁড়ালো রামপ্রসাদ। যাত্রীদের মধ্যেও একটা উত্তেজনার ভাব। এখনও সময় আছে। টাকার কথা ভুলে ঝাড়া হাত পায়ে রাতের অন্ধকারে মিশে যাওয়া যায়। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মরক্ষাই বড় কথা নয়। পার্টির লাভ-ক্ষতি , strategy সবার ওপরে। সব নির্ভর করছে রামপ্রসাদের হুকুমের ওপর। সে ইঙ্গিত দিলে শেষ গুলি অবধি লড়ে যাবে তার সাথীরা। Charge of the Light Brigade – এর মতো ডাইনে-বাঁয়ে বন্দুক উপেক্ষা করে সম্মুখ সমরে মারবে আর মরবে। বন্দুক বাগিয়ে প্রস্তুত সবাই ; দৃষ্টি ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুতে আসা ট্রেনের দিকে। আশফাক আর রামপ্রসাদের হাতুড়ির ঘা থেমে গেছে।

আরো পড়ুনঃ বঙ্গসন্তান এয়ার মার্শাল ইন্দ্রলাল রায় ছিলেন প্রথম যুদ্ধবিমান চালক

হঠাৎ একটা আলোর রেখা বিদ্যুতের মতো খেলে গেলো রামপ্রসাদের মনে। পাঞ্জাব মেল্ তো রোজ এই সময়েই যায় !! পড়লো অনেকগুলো স্বস্তির নিশ্বাস। তবু না আঁচালে বিশ্বাস নেই। তাড়াতাড়ি strategy ঠিক করে নিল রামপ্রসাদ। বিপদে একটুও বিচলিত দেখায় না তাকে। দরকার হলে সকলকে গা ঢাকা দিতে বলবে অন্ধকারে। এর মধ্যেই সকলের মুখে এক ঝলক আলো ফেলে এক পলকে বেরিয়ে গেল পাঞ্জাব মেল্। বিদায় নিল একটা দুঃস্বপ্নের মুহূর্ত। গায়ে যেন হঠাৎই সাত হাতির বল পেল আশফাকুল্লা। দমাদ্দম হাতুড়ির ঘা পড়তে লাগলো সিন্দুকে . তৈরী হলো একটা গর্ত। আশার আলো। খুললো সিন্দুক। একে একে বের করা হলো টাকার থলে। চাদরে টাকা কড়ি বোঁচকা বাঁধা হলো। All – clear সিগন্যাল দিল রামপ্রসাদ। ট্রেনে কিন্তু সেই সময় কয়েকজন বন্দুকধারী ইউরোপিয়ান ও একজন বড় মিলিটারি অফিসার ছিল। তারা রিভলভার উঁচিয়ে হাতের আস্তিন গোটালে হয়তো অন্যরকম হতে পারত পরিস্থিতি।

আরো পড়ুনঃ আগস্ট ২০২০ তে ৩০ লাখ না এক কোটী? ভারতে সংক্রমণ কত হবে? কোভিড ১৯ এর ভারত যাত্রা!

অভিযানের শেষে বিপ্লবীরা লখনও শহরের উল্টো দিকে চললেন। উদ্দেশ্য , তাঁদের গতিবিধি সম্পর্কে যাত্রীদের মনে ধোঁকা দেওয়া। চক এলাকার ভিতর দিয়ে তাঁরা ঢুকলেন লখনও শহরে। বড় বাজার আছে সেখানে। বারবণিতাদের পল্লী সেটা। যেহেতু অনেক রাত পর্যন্ত লোকজন চলাফেরা করে সেখানে , অচেনা মুখ দেখলে কেউ সন্দেহ করবে না।

লুকিয়ে ফেলা হলো লুটের টাকা। রামপ্রসাদ ছাড়া আর কেউই জন্য না তার হদিস। যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল তারা ছড়িয়ে পড়লো এদিক ওদিকে। মন্মথ গুপ্তের কাছে লখনও শহর অপরিচিত। মাঠেই কাটিয়ে দিলেন রাত। ভোরবেলা হকারের হাতে ইন্ডিয়ান ডেলি টেলিগ্রাফের হেডলাইন দেখলেন মন্মথ। বড় বড় হরফে লেখা, ‘Sensational Train Hold -up at Kakori’ … আশ্চর্য হলেন রিপোর্ট পড়ে। লেখা ছিল, তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। মন্মথ বুঝলেন যে বিপ্লবীদের বদনাম করতেই মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে ধূর্ত ইংরেজ।

কাশীর বিপ্লবী দলের ওপর শুভদৃষ্টি পড়লো পুলিশের। ট্রেন লুটের সময় সে দলের কাউকে কাশিতে দেখা যায়নি। সেটা বড় প্রমান। তবে গ্রেপ্তার করা হলো না কাউকেই। প্রত্যেক বিপ্লবীর পিছনে চব্বিশ ঘন্টা জোঁকের মতো লাগিয়ে দেওয়া হলো গুপ্তচর। এর মধ্যেও দলের নির্দেশে রাজেন লাহিড়ী কলকাতায় গেলেন বোমা তৈরী শেখার জন্য।

আরো পড়ুনঃ বাঙালি জাতীয়তাবাদ শুধু আবেগ নয়, বাঁচার লড়াই

পন্ডিতজী , অর্থাৎ চন্দ্রশেখর আজাদ বলে গেল সে বাবা-মার্ কাছে যাচ্ছে — সে রাজ্য কোন মুল্লুকে তার দলের লোকও জানে না। এদিকে সরকার ঘোষণা করে দিলো পুরস্কারের। বিপ্লবীদের মাথার দাম ধার্য হলো পাঁচ হাজার টাকা।

১৯২৫ সালের অক্টবর মাস। মহানবমীর দিন ভোরবেলা একসঙ্গে সকলের বাড়িতে হানা দিলো পুলিশ। খণ্ডযুদ্ধের জন্য পুলিশ তৈরিই ছিল। মন্মথনাথের বাড়িতে কিছুই পাওয়া গেলো না। শেষ পর্যন্ত হিন্দুস্তান রিপাবলিকান এসোসিয়েশনের সংবিধান রাখার দায়ে গ্রেপ্তার করা হলো তাকে। সুরেশ ভট্টাচার্য কানপুরে থাকতেন। কাশিতে এসেছিলেন ছুটি কাটাতে। পুলিশের হাজতে ঢুকলেন তিনিও। শাজাহানপুরে গ্রেপ্তার হলেন রামপ্রসাদ বিসমিল। মিরাটে রোশান সিং ও প্রেমকৃষ্ণ খান্না। কানপুরে গ্রেপ্তার হলেন রামদুলারে ত্রিবেদী। সচিন বক্সী রাতভোর পুজো প্যান্ডেলে থিয়েটার দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। দেখলেন বাড়ির সামনে অন্য নাটকের প্রস্তুতি। গা ঢাকা দিলেন তিনি। আশফাকুল্লাও পালিয়ে যেতে পারলেন।

আরো পড়ুনঃ মানুষ হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না প্রমাণ করেছেন আলপনা মন্ডল।

শুরু হলো মামলা। সচিন সান্যাল হিন্দুস্তান রিপাবলিকান এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি তখন জেলে ছিলেন। লখনও আনা হলো তাঁকেও। রাজেন লাহিড়ী দক্ষিনেশ্বর ষড়যন্ত্রের দৌলতে দশ বছরের মেয়াদে জেল খাটছিলেন। মাথায় জেলের ভারী বোঝা নিয়ে হাজির হলেন লখনও। তাঁকে বাদ দিলে এ মামলা হবে শিবহীন যজ্ঞ। চন্দ্রশেখর আজাদ ও কুন্দনলাল ফেরারী। জেলের বাইরে থাকলেও নিষ্কর্মা নয় তারা। বিপ্লবীদের জেলের থেকে ছাড়িয়ে আনার ব্লুপ্রিন্ট তৈরী করছে। সে কথা জানতে পারলো পুলিশ। আজাদকে চেনে এমন ইনফর্মারে ছেয়ে গেলো লখনও।

সবাই জানতো এ মামলায় কয়েকজনের ফাঁসি হবেই। ইংরেজের চোখে এক নম্বর আসামী রামপ্রসাদ। তার সম্মানই আলাদা। মামলার ফেলে লেখা হত — Emperor vs Ramprasad and others …. রামপ্রসাদ কিন্তু এমন অসহায়ের মতো মরতে চায় না। জেল থেকে পালানোর নতুন পরিকল্পনা হলো। ঠিক হলো রামপ্রসাদ, যোগেশ চ্যাটার্জি , রামকৃষ্ণ ক্ষত্রী এবং মন্মথ গুপ্ত জেল থেকে পালাবার চেষ্টা করবে। বাইরে থেকে আনা হবে কড়া ঘুমের ওষুধ। যারা রাজনৈতিক বন্দিদের পাহারা দেয় , তাদের মিষ্টির সাথে ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়ানো হবে। কিন্তু কাজ হলো না। ঘুমের ওষুধ ভেজাল বেরোলো।

আরো পড়ুনঃ মমতা ব্যানার্জী র পর কে হবেন বাংলার মুখ? কে কোন স্থানে অবস্থান করছেন?

আঠারো মাস ধরে মামলা চললো। ৬ই এপ্রিল ১৯২৭, বিচারপতি হ্যামিলটন কোনোদিকে না চেয়ে গড়গড়িয়ে পড়ে গেলেন রায়টা। হ্যামিল্টনের পরবর্তীকালে নামকরণ হলো ‘The Hanging Judge’ … রায় পড়া শেষ হতেই জজসাহেব সোজা ইংল্যান্ডে ফেরার জাহাজে উঠলেন।

বিচারে তিনজনের ফাঁসির হুকুম হয় — রামপ্রসাদ বিসমিল , রাজেন্দ্রনাথ লাহিড়ী ও রোশান সিং। শচীন সান্যালের যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর হয়। মন্মথনাথের ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড। যোগেশ চ্যাটার্জী , গোবিন্দচরণ কর, মুকুন্দিলাল , রামকৃষ্ণ ক্ষত্রী ও রাজকুমার সিংএর হয় ১০ বছর।

আশফাকুল্লা খান ফেরারী। তাঁর মতলব ছিল আফগানিস্তান হয়ে রাশিয়া যাওয়ার। দিল্লিতে তাঁকে ধরিয়ে দিলেন তাঁর এক ‘বন্ধু’ …. অতিরিক্ত বিচারে আশফাকেরও ফাঁসির হুকুম হলো।

কংগ্রেসের ছোট বড় অধিকাংশ নেতা এই বিপ্লবীদের জন্য ‘ব্যথিত’ হয়েছিলেন। সহানুভূতি জানিয়ে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয় কোনো কোনো জায়গায়। কেবল নীরব নিশ্চুপ রইলেন একজন নেতা।

আরো পড়ুনঃ শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – 26/07/2020

মন্মথনাথ গুপ্ত লিখছেন : ‘কোনো ভাইসরয়, বিপ্লবীর বোমার আঘাত থেকে বেঁচে গেলে প্রথমেই গান্ধীজী ছুটতেন তাকে কনগ্রাচুলেশন জানাতে , কিন্তু যখন বিপ্লবীরা ব্রিটিশ সরকারের হাতে বলি হয়েছেন, তিনি একটা কথাও বলেননি ,’

আজকের দিনেই কাকোরী ট্রেন লুন্ঠন ঘটেছিল। ভুলে যাওয়া যায় কি আগুনঝরা সেই দিনগুলো ?

তথ্যঋণ :

১) কাকোরী ষড়যন্ত্র : মণীন্দ্রনারায়ণ রায়
২) They Lived Dangerously : Manmatha Nath Gupta
৩) নির্বাসিত সাহিত্য : হিরণ্ময় ভট্টাচার্য

- বিজ্ঞাপন -

কোন মন্তব্য নেই