30 C
Kolkata
Thursday, January 7, 2021
More
    হোম আপনার পৃষ্ঠা ঐক্য বাংলা সুপ্রীম কোর্টের রায় অক্ষুন্ন - রবীন্দ্র সরোবরে হল না ছট - সফল...

    সুপ্রীম কোর্টের রায় অক্ষুন্ন – রবীন্দ্র সরোবরে হল না ছট – সফল হল ‘ঐক্য বাংলা’র লড়াই

    ছট পুজোর দিনে রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে দেখা যায় একাধিক বাঙালি সংগঠন কে। তাঁদের প্রত্যেককে আমার রক্ত জবা অভিনন্দন – আমাদের সকলের চেষ্টায় আজকে যেবাঙালির গর্ব কলকাতা রবীন্দ্র সরোবর কে আমরা থেকে রক্ষা করতে পেরেছি এর কৃতিত্ব প্রত্যেকটি বাঙালির।

    - বিজ্ঞাপন -
    - বিজ্ঞাপন -
    - বিজ্ঞাপন -
    - বিজ্ঞাপন -

    অবশেষে সমস্ত আশঙ্কার অবসান হল। সুপ্রিম কোটের রায়কে মান্যতা দিল প্রশাসন। এই বছর রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজো হল না। অক্ষুণ্ণ থাকল রবীন্দ্র সরোবরের পরিবেশ।আজকের এই কৃতিত্বের পথের পথনির্দেশক হিসেবে নজির গড়েছে বাংলার প্রথম মুক্তপন্থী বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন ‘ঐক্য বাংলা’। – রইল ভিডিও

    আরো পড়ুনঃ রবীন্দ্র সরোবরে নিষিদ্ধ ছট পুজো – কোর্টের রায় পালনে দৃঢ় ঐক্যবাংলা

    ‘ঐক্য বাংলা’র অন্যতম নেতা অভিজিৎ গুহ নিয়োগী জানালেন, “রবীন্দ্র সরোবর শুধু “কলকাতার ফুসফুস’ নয়, এটি বাংলার একটি ঐতিহ্য। যেভাবে গত দু বছর পরিবেশ আদালতের রায়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রবীন্দ্র সরোবরে ছটের নামে তান্ডব চালায় বহিরাগতরা সেটা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। তাই এবার প্রথম থেকেই আমরা এর বিরুদ্ধে যথাসাধ্য জনমত গঠন ও উপযুক্ত কর্মসূচি গ্ৰহণ করেছি। “

    কি কি ভাবে জনমত গঠন ও অন্যান্য কর্মসূচি গ্ৰহণ করল ‘ঐক্য বাংলা’ ?

    ঐক্য বাংলার সাধারণ সম্পাদিকা সুলগ্না দাশগুপ্ত জানালেন, “গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আমরা সামাজিক মাধ্যমে ক্রমাগত জনমত গঠন করে চলেছি যাতে রবীন্দ্র সরোবরের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ থাকে। বাংলা জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে আমরাই প্রথম যারা বিষয়টি নিয়ে সরব হই। রবীন্দ্র সরোবরের পরিবেশ রক্ষার্থে আমরা সচেতন বাঙালি নাগরিকদের কাছ থেকে সই সংগ্রহ করি। এছাড়াও আমরা নিরলস ভাবে রাস্তায় নেমে পোস্টারিং কর্মসূচি, লিফলেট বিলির পাশাপাশি সমস্ত প্রশাসনিক দপ্তরেও আবেদন জানাই। পরবর্তীতে আমাদের দেখাতে কি অন্যান্য বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন এগিয়ে আসেন। ছট পুজোর দিনে রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে দেখা যায় একাধিক বাঙালি সংগঠন কে। তাঁদের প্রত্যেককে আমার রক্ত জবা অভিনন্দন – আমাদের সকলের চেষ্টায় আজকে যেবাঙালির গর্ব কলকাতা রবীন্দ্র সরোবর কে আমরা থেকে রক্ষা করতে পেরেছি এর কৃতিত্ব প্রত্যেকটি বাঙালির।”

    আরো পড়ুনঃ ৬ দশকের অভিনয় জীবনের সমাপ্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের- পরিবারকে ছেড়ে গেলেন ? এর মুখে (?)

    প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে বলতে গিয়ে অভিজিত বাবু আরো বলেন, ” আমরা একাধিকবার রবীন্দ্র সরোবর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে কথা বলি। তাঁদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা KMDA কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠাই। তারপর আমরা রবীন্দ্র সরোবর থানায় স্মারকলিপি প্রদান করি। তাঁরা আমাদের সঙ্গে খুবই ভালো ব্যবহার করেন ও জানান যে তাঁরা তাঁদের দিকে সবরকম চেষ্টা করবেন। আমরা তাঁদেরকেও সাধুবাদ জানাই যেভাবে তারা আদালতের রায়কে মান্যতা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। “

    পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতাকে কিভাবে দেখছে ‘ঐক্য বাংলা’ ?

    আরো পড়ুনঃ “লিঙ্গ সাম্যে বিশ্বাসী বলেই আমি নারীবাদ বিরোধী”- ঐক্য বাংলার নেত্রী সুলগ্না দাশগুপ্ত

    ‘ঐক্য বাংলা’র দাবি তাঁদের আবেদনে সাড়া দিয়ে পুলিশ ও প্রশাসন যথেষ্ট সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এই প্রসঙ্গে ‘ঐক্য বাংলা’র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ঐক্যযোদ্ধা সৌম্য চৌধুরী জানান, “আমরা কেএমডিএ কে চিঠি দিই, আমরা রবীন্দ্র সরোবর থানায় স্মারকলিপি প্রদান করি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী রবীন্দ্র সরোবরের গেটে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। সুতরাং বলাই যায় যে পুলিশ ও প্রশাসন আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে অত্যন্ত সদর্থক ভূমিকা পালন করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে এইবছর রবীন্দ্র সরোবরে ছট হল না।”

    আরো পড়ুনঃ পথ দেখালো বাংলা – প্রথম বৃহন্নলা বিচারপতি “জয়িতা মন্ডল”

    তবে এই জয় কি শুধুই ‘ঐক্য বাংলা’র জয় ?

    ঐক্য বাংলার তরুণ সদস্য দেবায়ন সিংহ জানান, “রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজো না হওয়ার বিষয়ে সর্বপ্রথম সরব হয়েছিলাম আমরা। তারপর আমাদের দেখাদেখি অন্য বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠনও এই বিষয়ে সরব হয়। সুতরাং এই জয় আপামর বাঙালি জাতির জয় , সকল বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের জয় তথা সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সচেতন নাগরিকের জয় হলেও এই জয়ের পথিকৃৎ কিন্তু ‘ঐক্য বাংলা’ই।

    আরো পড়ুনঃ ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী – ঐক্য বাংলা’র প্রতিবাদের জের!

    ছটের দিনও পথে নেমেছিল ‘ঐক্য বাংলা’। এই প্রসঙ্গে ‘ঐক্য বাংলা’র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ঐক্যযোদ্ধা সৌম্য চৌধুরী জানান, “আমরা সকাল থেকেই রবীন্দ্র সরোবরের বিভিন্ন গেটে নজর রাখছিলাম। তারপর আমরা দীর্ঘক্ষণ মেনকা সিনেমা হলের সামনের গেটে শান্তিপূর্ণ জমায়েত করেছি। আমরা গানের মাধ্যমেও আমাদের জমায়েতের উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট করে দিয়েছিলাম। পুলিশ ও প্রশাসন যেভাবে আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়েছেন তাতে আমরা আপ্লুত।”

    আরো পড়ুনঃ মমতা ব্যানার্জী র পর কে হবেন বাংলার মুখ? কে কোন স্থানে অবস্থান করছেন?

    সম্মিলিত আন্দোলনের সুফলের কথা বলতে গিয়ে ঐক্য বাংলার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অভিজিৎ সরকার জানালেন, “এই জয় আপামর বাঙালির জয়। আমরা প্রথম থেকেই বিষয়টা নিয়ে সরব হয়ে জনমত গঠন ও উপযুক্ত কর্মসূচি গ্ৰহণ করেছি। তারপরে অন্যান্য বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলোও তাদের মতো করে চেষ্টা করেছে। সুতরাং এই বিষয়ে আমরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও, সকলের অংশগ্রহণের ফলেই আজ রবীন্দ্র সরোবরে ছট হয়নি। সকলকে জানাই আমাদের বাংলাবাদী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”

    আরো পড়ুনঃ ১০০ বছর আগে শুরু হয়েছিল স্বদেশী ‘মার্গো’ সাবানের জয়যাত্রা , নেপথ্যে ছিলেন একজন বাঙালি : খগেন্দ্র চন্দ্র দাস

    এছাড়াও এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উত্তরণ পাঠক, শৈবাল বোস, সৈয়দ শাহরুখ, সোহিনী সরখেল দাশগুপ্ত, অর্ঘ্যদীপ সেন, ইস্তাক লস্কর , রমিত কুমার রায় সহ অনেক সদস্য। সকলেই একটা বিষয়ে একমত হলেন ‘ঐক্য বাংলা’র অগ্রণী ভূমিকার ফলেই রবীন্দ্র সরোবরে এই বছর ছট পুজো হয়নি।

    সুতরাং রক্ষা পেল রবীন্দ্র সরোবরের পরিবেশ, অক্ষুণ্ণ থাকল ‘কলকাতার ফুসফুস’। যেভাবে বাঙালির সম্মিলিত প্রতিবাদের ফলে এই বছর রবীন্দ্র সরোবর বহিরাগতদের তাণ্ডবের হাত থেকে রক্ষা পেল তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তবে যেভাবে এই বিষয়ে প্রথম থেকেই জনমত গঠন ও উপযুক্ত কর্মসূচি গ্রহণ করে অগ্রণী ভূমিকা পালন করল বাংলার এই প্রথম মুক্তপন্থী বাংলা জাতীয়তাবাদী সংগঠনটি, তাতে এই ছোট্ট সংগঠনের ভাঁড়ারে যে আরো একটি সাফল্যের পালক যুক্ত হল সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ।

    রই ভিডিও

    - বিজ্ঞাপন -

    কোভিড ১৯ আপডেট

    India
    10,016,859
    Total recovered
    Updated on 07/01/2021 8:59 AM
    - বিজ্ঞাপন-

    হাতে গরম

    কমেন্টস