বিধায়ক হিসেবে অর্জিত অর্থ সাধারণ মানুষের উপকারে ব্যবহার করতেও পীছপা নন চন্দনা বাঊড়ী

তাঁর সাংসারিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিজেরাই বাজার করে দিচ্ছিলেন তাঁর দেহরক্ষীরা। এমতাবস্থায় যার সবথেকে বেশী ভাবার কথা নিজের পরিবারের জন্য, সেই পরিস্থিতিতেও চন্দনা দাঁড়াচ্ছেন তাঁর অঞ্চলের দুঃস্থ মানুষের পাশে।

0
446
chandona_Bouri_Alt_Bangla
- বিজ্ঞাপন -

স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি। পরিবারের খরচ চালাতে তাঁকেও সাহায্য করতে হতো স্বামীর কাজে। বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া বিধানসভায় ভারতীয় জনতা পার্টির বিধায়ক চন্দনা বাঊড়ী (Chandana Bouri) বিধায়ক হিসেবে প্রাপ্য সান্মানিক এর বেশীরভাগ অর্থই তাঁর এলাকার দুঃস্থ মানুষের উপকারে খরচ করতে পীছপা হবেন না ভেবে নিয়েছিলেন শুরু থেকেই।

তাঁর সাংসারিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিজেরাই বাজার করে দিচ্ছিলেন তাঁর দেহরক্ষীরা। এমতাবস্থায় যার সবথেকে বেশী ভাবার কথা নিজের পরিবারের জন্য, সেই পরিস্থিতিতেও চন্দনা দাঁড়াচ্ছেন তাঁর অঞ্চলের দুঃস্থ মানুষের পাশে।

- বিজ্ঞাপন -

রাজারহাট নিউটাউনের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দেওয়া ত্রান সামগ্রী নিজের হাতে তুলে দিয়েছেন নিজের গ্রাম সহ আরো ৬০ টি গ্রামের মানুষের হাতে। এহেন বিধায়ক কে পেয়ে যারপরনায় খুশি শালতোড়া বিধানসভা অঞ্চলের জনগন।

১০০% প্রতিবন্ধী মনোজ বাউরি বিগত আট থেকে দশ বছর ধরে প্রতিবন্ধী সংশাপত্র পান নি। পান না কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা, সেই খবর পেয়ে সেখানে গেলে পরিবারের দুঃখে ভেঙ্গে পড়েন এবং বিধায়ক তাঁর সাধ্যমতো সবসময় তাদের পাশে থাকবেন তা অঙ্গীকার করেন।

১৯৯১ সালে শালতোড়া বিধানসভায় পরাজিত প্রার্থী কর্ণ বাঊড়ীও পেশায় রাজমিস্ত্রী হলেও আজ তিনি মানষিক ভারসাম্যহীন। তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ নিয়েই শালতোড়া বিধানসভার মানুষের জন্য কাজ শুরু করেন চন্দনা।

আরো পরুনঃ  টার্নকোটের সাংসদ সুনীল মণ্ডল বলেন, তিনি এখনও টিএমসির সঙ্গে রয়েছেন

বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী হোন বা শালতোড়া র বিধায়ক চন্দনা বাউড়ী – যারা গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে নিজেদের বিধানসভা অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন ভোটে জেতানোর প্রতিদান দিতে, তাঁদেরকে কোনোদিন ও পরের বার জেতানোর জন্য প্রচারের প্রতিযোগিতায় দৌড়তে হবার কোনো কারণ থাকা বাঞ্ছনীয় নয়।

এঁরাই পালন করছেন আসল জনপ্রতিনিধি ধর্ম। এহেন স্বপ্নের সওদাগর আদপে দৃষ্টান্ত বর্তমান রাজনীতিতে। সকল নির্বাচিত বিধায়ক / সাংসদ / কাউন্সিলর / পঞ্চায়েত সদস্য যেদিন এই দৃষ্টান্তে অনুপ্রাণিত হবেন, সেদিন বিশ্ব সভায় ভারত আবার শ্রেষ্ট আসন লবে।

- বিজ্ঞাপন -