fbpx
27 C
Kolkata
Tuesday, October 19, 2021
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -

মধ্যযুগের সাত টি ফেক নিউজ – ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত

- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -

একটা ধারণা আছে যে বর্তমান সময়ে আমরা পোস্ট-ট্রুথ যুগে বাস করছি, এবং এটা একটা অভিনব অ-সত্যযুগ, এই প্রথম এমন অবস্থা নেমে এসেছে পৃথিবীতে। এ ভাবনা অনৈতিহাসিক, ফেক নিউজ মানবসভ্যতায় প্রাচীনকাল থেকেই আছে। মহাভারতের সময় ধর্মযুদ্ধের ধারণা ছিল, এবং সেজন্য “অশ্বত্থামা হত” ফেক নিউজটি ছড়ানোর জন্য যুধিষ্ঠিরের নরকদর্শন ঘটে। কিন্তু যুদ্ধে ধর্মনীতি পালন, অথবা যুদ্ধক্ষেত্রে মিথ্যা বলার বিষয়ে এই প্রাচীন ভারতীয় নিষেধাজ্ঞা যদি বা জয়নাগ-শশাঙ্ক-পাল-সেন যুগে কিছুটা বলবৎ থেকে থাকে – আমি অন্তত বাঙালির এই যুগে আমাদের রাজাদের কর্তৃক প্রবঞ্চনা বা তথ্যবিকৃতির উদাহরণ পাই নি, কেউ পেয়ে থাকলে জানাবেন – কিন্তু মধ্যযুগ বিশেষ করে যে বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছিল, সেখানে সবথেকে আগে সত্যই নিহত হয়। মধ্যযুগের সাতখানা ফেক নিউজের ঘটনা নিয়ে আজ লিখছি।

১) বাঙালির ইতিহাসে সবথেকে বড় ফেক নিউজ সম্ভবত এই মধ্যযুগের সূচনাতেই সম্প্রচারিত হয়েছিলঃ পুরাণে কথিত আছে যে, গৌড়ের সিংহাসন যে ব্যক্তি অধিকার করবে, তার শারীরিক বর্ণনা যেরকম দেওয়া হয়েছে, তা বখতিয়ার খিলজির সঙ্গে মিলে যায়।

সেন আমলের উত্থান হয়েছিল পাল আমলের শেষে তান্ত্রিক বিকৃতি-ব্যভিচার বীভৎসভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে, একটা সংস্কারের প্রয়াস হিসেবে। কিন্তু সেন আমলে আরেকটি উৎকট বাতিক বৃদ্ধি পেতে থাকে, সেটা হল জ্যোতিষচর্চার প্রকোপ। ফলে পৌরাণিক ভবিষ্যৎবাণীর ওপর নির্ভরতা বাড়তে থাকে। এটাকে কাজে লাগিয়ে বখতিয়ারের উৎকোচভোগী কিছু ব্রাহ্মণ সেন-রাজসভায় অন্তর্ঘাত করেন, এবং বখতিয়ারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিরুৎসাহিত করেন লক্ষ্মণসেনকে। তবে এত কিছু করেও বখতিয়ার জীবদ্দশায় গৌড়ের অতি সামান্য অংশই জয় করতে পেরেছিল, বঙ্গে দাঁত ফোটাতে পারেনি। এবং অতর্কিতে নদীয়া হামলার পর প্রাথমিক বিপর্যয়ের অভিঘাত কাটিয়ে উঠে লক্ষ্মণসেন একটি সম্মুখযুদ্ধে বখতিয়ারকে পরাস্ত করেন (নীহাররঞ্জন দ্রষ্টব্য)।

২) ইসলাম প্রচার করতে আসা প্রাজ্ঞ প্রবীণ ধর্মজ্ঞানী বা বুজরুক (বুজুর্গ)-রা নানা বুজরুকি দেখাতেন সেযুগে। মনে রাখতে হবে, বাংলা ভাষায় যে ফাজিল অর্থ শিক্ষিত নয়, বরং শব্দটি প্রবঞ্চনার দিকে ইঙ্গিত করে, এর সঙ্গে মধ্যযুগের ফেক নিউজের ধারণা অবশ্যই জড়িত। সেরকম বুজরুকি কথাটাও বুজুর্গ কর্তৃক ছড়ানো ফেক নিউজের বাড়বাড়ন্তের দিকে ইঙ্গিত করে। পীর গোরাচাঁদ (যিনি চন্দ্রকেতুগড় আক্রমণ করেন) সম্পর্কে বলা হয় তিনি লোহার প্রাচীরে চাঁপা ফুল ফুটিয়েছিলেন (সেই থেকে বেড়াচাঁপা)। এটা একটা ফেক নিউজ, এবং স্ট্র্যাটেজিক কারণে ছড়ানো হয়েছিল (পীরের প্রতিপত্তি বাড়াতে)।

আরো পরুনঃ  কষ্টের ফসল জেসিবি দিয়ে তছনছ করে দেয় পুলিশ - তারপর প্রশাসনের সামনেই পেস্টিসাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন দলিত দম্পতি - দেখুন ভিডিও

কিন্তু পীর গোরাচাঁদকে যুদ্ধে হারিয়েছিলেন যে চন্দ্রকেতুগড়ের রাজা চন্দ্রকেতু, অথবা বাবা আদমকে যুদ্ধে হারিয়েছিলেন যে বিক্রমপুর-রামপালের রাজা বল্লালসেন (দ্বিতীয় বল্লালসেন), এঁদের দুজনের অন্তঃপুরেই এই ফেক নিউজ পৌঁছে যায় যে রাজা যুদ্ধে হেরেছেন, ফলে অন্তঃপুরের সবাই আত্মবিসর্জন দেয়, চন্দ্রকেতুগড়ের ক্ষেত্রে জলে ডুবে আর বিক্রমপুরের ক্ষেত্রে আগুনে দগ্ধ হয়ে। এরপরে দুঃখকাতর হয়ে এই দুজন রাজাও আত্মহত্যা করেন। তবে যে ফেক নিউজ এত বড় বিপর্যয় ডেকে আনল, সে নাকি শত্রুর ইচ্ছাকৃত নয়, রাজারই ভুলক্রমে পৌঁছে গেছিল, দুটি কাহিনীর ক্ষেত্রেই প্রসিদ্ধ আছে। কে জানে!

আরো পরুনঃ  বঙ্গসন্তান এয়ার মার্শাল ইন্দ্রলাল রায় ছিলেন প্রথম যুদ্ধবিমান চালক - ঐক্য বাংলা

৩) হোসেন শাহের শাসনাধীন গৌড় ত্যাগ করে উৎকল চলে গিয়েছিলেন চৈতন্য মহাপ্রভু। তাঁকে নিয়ে একটি ফেক নিউজ ছড়িয়েছিল উড়িষ্যার পাণ্ডারা। সে ফেক নিউজ এখনও অনেক হিন্দুত্ববাদী বিশ্বাস করে মহাপাতক হয়ে থাকেন। চৈতন্য মহাপ্রভুর অন্তর্ধান নিয়ে আমার একাধিক লেখা এই পেজেই স্ক্রোল করলে পাবেন, তাই এখানে আর কিছু বলছি না।

৪) বাংলায় মোগল শাসন শুরু হওয়ার সময় আকবরের পক্ষ থেকে মানসিংহের ভ্রাতা ভানুসিংহ একটি ফেক নিউজ ছড়িয়েছিলেন, বাংলার হিন্দুদের সমর্থন পাওয়ার জন্য। আকবর আগের জন্মে একজন হিন্দু সাধু ছিলেন, নাম মুকুন্দরাম ব্রহ্মচারী। তীর্থরাজ প্রয়াগে তপস্যা করতেন। মনে বিষয়বাসনা জন্মানোর ফলে আত্মগ্লানিতে গঙ্গা যমুনা সঙ্গমে প্রাণবিসর্জন দেন, এবং এই জন্মে তিনি আকবর হয়ে এসেছেন। এর শাসনে হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার সম্পূর্ণ বন্ধ, পাঠানরা অপসৃত। অতএব বাংলার হিন্দুর উচিত আকবরের সঙ্গে সহযোগিতা করা।

তবে অনস্বীকার্য এই ফেক নিউজটি আগের তিনটের মত প্রাণঘাতী ছিল না। এমনকি এই ফেক নিউজে একটা উদার সর্বধর্মসমন্বয়বাদী বার্তা আছে। এই ফেক নিউজ দিয়েই মধ্যযুগের বাংলায় সেকুলারিজম বা বিশ্বমানবতার উৎপত্তি, এরকম দাবি করা যেতে পারে। বস্তুত বিশ্বমানবতাও একটা ফেক নিউজ, কোনও আপাত মহৎ কিন্তু গভীর সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্যে ছড়ানো ফেক নিউজ (ওই ক্ষেত্রে যেমন মোগল সাম্রাজ্যবাদী)।

যারা বাঙালি বিশ্বমানব, তাঁরা অবশ্যই জানেন বাংলাভাষী হিন্দুর প্রত্যেক প্রতিবেশীই আমাদের গলা কাটেঃ উড়ে, বিহারি, মাড়োয়াড়ি, গোর্খা, অসমিয়া – সবাই, এবং মুসলমান। কিন্তু তাও এরা একটা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ফেক নিউজ ছড়াতে ভালোবাসেন।

বিশ্বমানবদের হিন্দুত্ববাদী প্রজাতির তরফ থেকে মুসলমান বাদ দিয়ে বাদবাকিদের ভালোত্বের ফেক নিউজ ছড়ানো হয়, একা মুসলমানই সেখানে খারাপ। আর বিশ্বমানবদের সেকুলার প্রজাতির পক্ষ থেকে বিশেষ করে ভাষাবাদী পক্ষ থেকে মুসলমানের ভালোত্বের ফেক নিউজ ছড়ানো হয়, সেখানে মুসলমান বাদে বাকি সবাই খারাপ।

আরো পরুনঃ  বাণিজ্যনগরী কলকাতার স্রষ্টা কি বাঙালি তন্তুবণিক শেঠ-বসাক পরিবার? ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত

৫) এই মানসিংহ সম্ভবত ফেক নিউজে বিশেষজ্ঞ হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ এরপরে ইনি যশোরসম্রাট প্রতাপাদিত্যের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুকৌশলে রটিয়ে দেন যে মা যশোরেশ্বরী কালী প্রতাপের প্রতি বিমুখ হয়েছেন, মূর্তির মুখ অন্যদিকে ঘুরে গেছে। ফলে যুদ্ধের আগে প্রতাপের সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক প্যানিক তৈরি হয়।

৬) মধ্যযুগের বেশ কিছু হিন্দু স্মৃতিকার, পুরাণকার যেটা প্রচার করেছেন, সেটা ফেক নিউজের পর্যায়ে পড়ে। এগুলো সেন আমলের শেষের দিকের অন্তর্ঘাতের ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখতে হবে। পালদের অনুগত এক শ্রেণীর বারেন্দ্র ব্রাহ্মণ সেনদের সহ্য করতে পারেন নি। এরা অন্তর্ঘাত করেন, এরা মধ্যযুগে মুসলমানদের কমপ্রাদর হিসেবে অবতীর্ণ হন, এরাই একাধিক স্মৃতি ও পুরাণ লেখেন মধ্যযুগে, ফলে বাংলায় সবাইকে হোলসেল শূদ্র ঘোষণা করা হয়। রাজা বল্লালসেনের তুমুল চরিত্রহনন ঘটে। এমনকি আজ যে মাতৃকাদূষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেটার উৎস মধ্যযুগে কিছু গুহ্যবাদী তান্ত্রিকের বিকৃতমস্তিষ্কজাত। একটি কেন্দ্রীয় অর্থোডক্সি না থাকলে যে কোনও সমাজ, ধর্ম, রাজনীতিতেই হেরেসির প্রবণতা বাড়ে।

তবে অর্থোডক্সি যদি খারাপ বা প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়, তখন হেরেসিই প্রগতি হতে পারে। সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ রাজত্ব চললে আমি কি আর হিন্দু লেফটের কথা বলতে পারতাম? হেরেসি সর্বদা খারাপ নয় নিঃসন্দেহে। কিন্তু এক্ষেত্রে, বাঙালির আবহমানকালের মাতৃকা-উপাসনা সম্পর্কে কিছু অসভ্যতা, বাঙালির সমাজ সম্পর্কে অসত্য স্মৃতি-নিদান, এগুলো মধ্যযুগে ফেক নিউজের অন্তর্ঘাত হিসেবেই ধরতে হবে।

৭) মধ্যযুগের বধ্যভূমিতে চাতুর্য ও প্রবঞ্চনা ছিল টিঁকে থাকার একমাত্র উপায়। নৈতিকতা জিনিসটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রতাপাদিত্য নিজেই সিংহাসনে বসবেন বলে আগ্রা-প্রবাসকালে একটি অসত্যভাষণ করেন, যে যশোর থেকে মোগল দরবারে খাজনা আসা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতাপ বলেন, তাঁকে রাজত্ব দিলে তিনি সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে নিয়মিত খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। আসলে কিন্তু যশোর থেকে রাজস্ব আসা বন্ধ হয়নি, এটি প্রতাপের ফেক নিউজ ছিল, বাদশাহী সনদলাভের জন্য।

আরো পরুনঃ  বায়োগ্যাস প্রকল্প ও শক্তির পূনর্নবীকরন ও গ্রামীন অর্থনীতির বিকাশ

তবে কি মহৎ উদ্দেশ্যে ফেক নিউজ প্রচার করা যায়? সেক্ষেত্রে হিন্দুত্ববাদী বা সেকুলার, কাউকেই আজ আর তথ্যবিকৃতির জন্য দোষারোপ করা যাবে না, কারণ উভয় বিশ্বমানবই তো ভাবছে যে তাদের উদ্দেশ্য খুব মহৎ। এমনকি প্রতাপের উদাহরণ সামনে রেখে বাঙালি জাতীয়তাবাদীরও লাইসেন্স এসে যাবে ফেক নিউজ ছড়ানোর।

আরো পরুনঃ  "লিঙ্গ সাম্যে বিশ্বাসী বলেই আমি নারীবাদ বিরোধী"- ঐক্য বাংলার নেত্রী সুলগ্না দাশগুপ্ত

তবে বাইবেলে একটা কথা আছে। হি দ্যাট টেকস দ্য সোর্ড শ্যাল পেরিশ বাই দ্য সোর্ড। তরবারির দ্বারা যে আস্ফালন করে, তরবারিই তাকে মারে। প্রতাপ একটি ফেক নিউজ ছড়িয়ে রাজ্য পেয়েছিলেন, মানসিংহ আর একটি ফেক নিউজ ছড়িয়ে সেটি ভেঙেছিলেন। বঙ্কিম বলেছিলেন, কর্ণচরিত্র অতি মনোহর। কিন্তু সেই কর্ণেরই রথের চাকা বসে গেলে কর্ণের নিজের পাপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন সাংখ্যযোগী শ্রীকৃষ্ণ। অতএব ফেক নিউজ দিয়ে যে সাম্রাজ্য গড়ে, ফেক নিউজ দিয়েই সে সাম্রাজ্য ভেঙে যেতে পারে, ইতিহাসের উদাহরণ সামনেই রয়েছে।

প্রতাপচরিত্র অতি মনোহর। মধ্যযুগের সেই অন্ধকারে তিনি বিদ্যুৎচমক। তিনিই শেষ বাঙালি সম্রাট যিনি উড়িষ্যা বিজয় করেন, এর আগে তা নিয়ে লিখেছি। তাঁকে অশ্রদ্ধা করলে বাঙালি হিসেবে মহাপাপ হয়। আধুনিক যুগে শ্রেষ্ঠ কৃষ্ণভক্ত বঙ্কিম স্বয়ং কৃষ্ণচরিত্র লেখার সময় কৃষ্ণের বারাণসী পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটি এড়িয়ে যান নি, তাই আমিও কোনও নায়ককে নিয়ে লেখার সময় কোনও সত্যকে চেপে দেওয়ার পক্ষপাতী নই।

প্রসঙ্গত মধ্যযুগের শেষ প্রান্তে এসে দেখি, নদীয়ার কৃষ্ণচন্দ্র (তখনও রাজা নন) স্বয়ং তাঁর পিতৃব্যের কাছ থেকে রাজত্ব কেড়ে নিতে নবাব-দরবারে একটি অনুরূপ চাতুরি/প্রবঞ্চনা করেছিলেন, এবং সফল হয়েছিলেন, ফলে পিতৃব্যের বদলে তিনিই রাজা হন। এ জিনিস মধ্যযুগে অনেকবার হয়েছে, এটিই নর্ম হয়ে গিয়েছিল বলা যায়। ফলে প্রতাপকে একা দোষ দিলে চলবে না।

শেষ কথায়, বাঙালি অনেকদিন হল পোস্ট-ট্রুথ যুগে বাস করছে, ফেক নিউজ আজকের ঘটনা নয়, মধ্যযুগ জুড়ে ফেক নিউজের ঘনঘটা দেখতে পাই। সঠিক করে বলতে গেলে, যেদিন ওই ম্যানুফ্যাকচার্ড পৌরাণিক ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া গিয়েছিল যে আগামী দিনে বখতিয়ার গৌড়ে রাজা হবে, সেদিন থেকেই বাংলায় ফেক নিউজের রাজত্ব শুরু হয়েছিল।

বখতিয়ার খিলজির মুদ্রা দেখছেন ছবিতে। বেশ ব্যতিক্রমীভাবে সংস্কৃত ভাষায় উৎকীর্ণ। সম্ভবত ফেক নিউজটির সঙ্গে তাল রেখেই।

মুদ্রায় লেখাঃ শ্রী ম হ / মীর মহম / দ সামঃ (অর্থাৎ শ্রী মহা-আমীর মহম্মদ সাম। বখতিয়ার তার প্রভু মহম্মদ বিন সাম অর্থাৎ ইতিহাস যাকে মহম্মদ ঘোরী নামে জানে, তার নামেই মুদ্রা উৎকীর্ণ করে)।

বাঙালির আধুনিক যুগের ইতিহাসেও প্রচুর ফেক নিউজ সম্প্রচার ঘটেছে। সে নিয়ে পরে কোনওদিন আলোচনা করব।

© তমাল দাশগুপ্ত

- বিজ্ঞাপন -
আরো পরুনঃ  বাণিজ্যনগরী কলকাতার স্রষ্টা কি বাঙালি তন্তুবণিক শেঠ-বসাক পরিবার? ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত
- বিজ্ঞাপন -

আরো পরুনঃ

কেন আমরা এখনও সেলিম ডাইনি ট্রায়াল নিয়ে এতই আচ্ছন্ন

দ্য দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রথম ব্রিজেট বিশপ ছিলেন একজন -০ বছর বয়সী মহিলা, যাকে ১9২ সালের জুন মাসে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় যা পরে গ্যালোস...

বাবুল সুপ্রিয় আনুষ্ঠানিকভাবে এমপি পদ থেকে ইস্তফা দেন

গায়ক থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে বারবার জোর দিয়েছিলেন যে তিনি এমপি হিসাবে চালিয়ে যেতে চান না কারণ তিনি আর সেই দলের সদস্য ছিলেন না যার...

জলবায়ু প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বলেন, ‘আমরা সবুজ ধোয়া মোকাবিলায় যুদ্ধে আছি

পাইলট কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) ক্যাপচার প্ল্যান্টের একটি বিশদ চিত্র ২ Cop জুন, ২০২১ সালে কোপেনহেগেনের আমাজার বাক্কে বর্জ্য জ্বালানোর যন্ত্রের মধ্যে চিত্রিত হয়েছে। IDA...
- বিজ্ঞাপন -

১ টি মন্তব্য

অল্ট সোশ্যাল মিডিয়াঃ

237সমর্থকমত
6অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করুন
অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করুন
2অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করুন
10গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব
- বিজ্ঞাপন -

অলিম্পিক ২১ঃ

জিমন্যাস্টিক স্টারস মার্কিন অলিম্পিক পরিচালকদের বহিষ্কারের আহ্বান জানান

ওয়াশিংটন star ল্যারি নাসার যৌন অপব্যবহার কেলেঙ্কারির অভিযোগে সংগঠনের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য কংগ্রেসকে অনুরোধ করে মার্কিন অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক কমিটির ওপর বুধবার একদল...

মতামত | বেজিং টোকিওর অলিম্পিক ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে প্রস্তুত

টিম ইউএসএ টোকিও অলিম্পিকে একটি সাফল্য অর্জন করেছে, যার নেতৃত্বে সাঁতারু ক্যালেব ড্রেসেলের পাঁচটি স্বর্ণপদক। বিলম্বিত টোকিও ২০২০ গেমসের বড় বিজয়ী অবশ্য চীনা...

অলিম্পিক যত কাছে আসছে, চীনের পুরুষদের হকি দল নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে

এক বছরে যেখানে এনএইচএল ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিকে শর্তসাপেক্ষে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েছিল, তার বদলে অনেক কথাবার্তা স্বাগতিক দেশ চীনকে ঘিরে রেখেছিল। চীন কোন NHLers...

2022 শীতকালীন অলিম্পিকে স্কি জাম্পিং

সম্ভবত মানুষের উড়ানের সবচেয়ে কাছের জিনিস, স্কি জাম্পিং খেলোয়াড়দের বাতাসের মধ্য দিয়ে চলাচল করার ক্ষমতা পরীক্ষা করে - এবং নিরাপদে অবতরণ করে - একটি...

সদ্য প্রকাশিতঃ