fbpx
27 C
Kolkata
Wednesday, October 20, 2021
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -

মমতা ব্যানার্জী র পর কে হবেন বাংলার মুখ? কে কোন স্থানে অবস্থান করছেন?

- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -

২০১১ র বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে বাংলার মসনদ দখল করেন তৃণমুল নেত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সহযোগী দল হিসেবে ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। বিরোধী দল বাম-জোট রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পরে এমন ভাবেই যে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ২ – ১ টি ক্ষেত্র বাদ দিলে (ছোট – বড় আসন মিলে) জিতে উঠতে পারেনি পঞ্চায়েত – মিউনিসিপ্যালিটি – বিধানসভা অথবা লোকসভা। তবুও সংগ্রাম থেকে বাইরে যায়নি।

তৎকালীন কেন্দ্রীয় ইউ পি এ সরকারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল ছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় কংগ্রেসের সাথে যৌথভাবে ২২৭ টি আসনে (একক ভাবে ১৮৪) জয়লাভ করলেও পরবর্তী সময়ে (২০১২) জাতীয় কংগ্রেসের থেকে আলাদা হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস এবং ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মোট ২৯৪ টি আসনের ২১১ টিতেই একক সংখাগরিষ্ঠতা হাসিল করে দ্বিতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস।

আরো পড়ুনঃ রাজনীতিতে ভোট রঙ্গ

“মা-মাটি-মানুষ” স্লোগানটি ২০১১ থেকে ধরে রাখতে পারলেও তৃণমুল সুপ্রীমো ধরে রাখতে পারেননি দলে বহু প্রথম সারির নেতাদের। তাঁদের কেউ বা অন্য দলে যোগ দিয়েছেন দলের প্রতি বিক্ষোভ প্রকাশ করে, কেউ বা সরেছেন চাপে পড়ে। মোদ্দা কথা বাঙ্গলার মানুষকে “দুর্নীতিমুক্ত সরকার” দেবার অঙ্গীকার থেকে ধীরে ধীরে পেছনে হাঁটতে বাধ্য হতে হয়েছে মমতা ব্যানার্জী কে। তাঁর নিজের ভাই, ভাইপো সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা – মন্ত্রী – বিধায়কদের বিরুদ্ধে আসা আর্থিক তছরূপির অভিযোগ, তোলাবাজী, স্বজনপোষন ইত্যাদি অভিযোগে জর্জরিত তৃণমুল সুপ্রীমোকে প্রতি মুহুর্তে সংঘর্ষ চালিয়ে যেতে হচ্ছে অস্তিত্ত্ব রক্ষার জন্য।

আরো পরুনঃ  সুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করে ফৌজদারি মামলাগুলি সিবিআই -তে স্থানান্তর করার জন্য

আর সেই সংঘর্ষের একদিকে যেমন কাজ করছে আভ্যন্তরীন গোলযোগ ঠিক ততটাই কাজ করছে ২০১৫ তে একক সংখ্যাগরিষ্ট ভারতীয় জনতা পার্টীর বাংলার মসনদ দখলের স্ট্রাটেজী। দিশেহারা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নিজেও জানে যে তাঁদের পক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মসনদ এককভাবে পুনঃপ্রাপ্তি কোনো প্রকারেই সম্ভব নয়। অথচ কেন্দ্রে সবথেকে বিরোধী দল অর্থাৎ বিজেপি র পক্ষ নেওয়াও সম্ভব নয়। অর্থাৎ একমাত্র পথ বাম – জোটে সামিল হয়ে কিছু সীমিত সংখ্যক আসনে প্রতিদ্বন্দীতা করা।

আরো পরুনঃ  মমতা বলেন, কোভাক্সিনের জন্য ডাব্লুএইচও অনুমোদন নিশ্চিত করুন

আরো পড়ুনঃ ভারতীয় রাজনীতির আঙ্গিনায় ক্রিমিনাল দের অধিপত্য

২১ শে পালাবদল অভিযানে বাম-জোট প্রস্তুত হচ্ছে নতুন উদ্দ্যম নিয়ে। উপরে উপরে বিজেপী বিরোধীতা করলেও ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তাদের পরোক্ষ সাহায্য ছাড়া যে বিজেপী অতোগুলো আসনে জয় পেত না, তা বুঝতে কারো অসুবিধা হবার কথা নয়। তবে সেক্ষেত্রে তৃণমূল দলের অন্যতম পিলার হিসেবে থাকা মুকুল রায়ের অবদান ফেলে দেওয়া যায় না এক্কেবারেই।

কেন্দ্রে পুনরায় পদ্ম ফোটাতে প্রয়োজন সমস্ত ছোটো – বড় স্তরের দলগুলোর উপর নিজেদের কতৃত্ব ফলানো। যেখানে টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব সেখানে টাকা ছড়ানো, যেখানে টাকা কাজ করে না, সেখানে ক্ষমতা প্রয়োগ করে পিলার গুলোকে নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে আনা। অর্থাৎ যেন তেন প্রকারেণ ক্ষমতা লাভ করা। সেক্ষেত্রে অনান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দী। মমতা ব্যানার্জী সমস্ত প্রতিকুল পরিস্থিতিতে থাকার পরেও কিন্তু ঘাম ছুটিয়ে দিতে একাই ১০০ সেকথা স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী কিংবা অমিত শাহের অজানা নয়।

আরো পরুনঃ  রাজীব গান্ধীকে কারা খুন করেছিল? কেন খুন করেছিল? - নির্মাল্য দাশগুপ্ত

আরো পড়ুনঃ “পি এম কেয়ার ফান্ড” এর তথ্য জানাতে অস্বীকার করল পি এম ও। এ কোন কৌশল? কেনই বা?

তবে আজকের আলোচনার বিষয় একটু অন্য। আর সেটা হলো “মমতা ব্যানার্জী”র পর বাংলার মুখ কে? তাঁর ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জী? দলের সেনাপতিদের মধ্যে অন্যতম শুভেন্দু? নাকি অন্য কেউ? তৃণমুল যদি ক্ষমতায় না ফিরতে পারে, সেক্ষেত্রে কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা বিজেপী’র হয়ে বাংলার মুখ কে হতে পারেন? ২০১৯ এর সফলতার কান্ডারী মুকুল রায়? নাকি রাজ্য সভাপতি দীলিপ ঘোষ? না কি কানাঘুষা অনুসারে বাংলার বাঘ নামে খ্যাত সৌরভ গাঙ্গুলী? যদি কং-বাম জোট ক্ষমতায় ফেরে সেক্ষেত্রে অধীর চৌধুরী না মহম্মদ সেলিম অথবা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সুজন চক্রবর্তী?

আরো পরুনঃ  এএসআই 17 শতকের চিনসুরায় ডাচ কবরস্থানে প্রাণ নিশ্বাস ফেলে

আরো পড়ুনঃ ব্ল্যাসফেমি না ইতিহাসের ক্ষত !!! ডক্টর বিধানচন্দ্র রায় দম্পর্কে বিতর্কিত বিরুদ্ধ প্রচার গুলি

উপরের নামগুলি ছাড়াও আরো কয়েকটা নাম অবশ্যই আলোচনার মধ্যে পড়ে তবে তা পরিস্থিতি অনুসারে। তাই আপাতত এই কয়েকটা নাম নিয়ে যদি বাঙ্গলার মুখ নিয়ে বিতর্ক হয়, সেক্ষেত্রে আপনার রায় কি? কে হতে পারেন মমতা ব্যানার্জী’র পর বাঙ্গলার মুখ? বাঙালির মুখ?

- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -

আরো পরুনঃ

#স্ট্রাইকোটোবার সম্পর্কে কি জানার আছে

সহ সারা দেশে নার্স আপস্টেট নিউ ইয়র্ক এবং ম্যাসাচুসেটসম্যাসাচুসেটসের ওরচেস্টারের সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালের নার্সদের সাথে একই সমস্যা নিয়ে হরতাল করছেন, তাদের ধর্মঘটের সাত মাসে...

আমরা অ্যামাজনে সেরা সোয়েটার খুঁজে পেয়েছি

সোয়েটারের আবহাওয়া অবশেষে এখানে এবং যদি আপনার আরামদায়ক বিভাগে অভাব থাকে, তবে আমাজনে সেরা সোয়েটারগুলি ব্যবহার করা বোধগম্য। ঝড়ো হাওয়া, অফুরন্ত সুন্দর সাজের সুযোগ...

কনফার্মেশন যুদ্ধে ইমানুয়েলের উপর পুলিশ গুলি চালাচ্ছে

আমির মধানি, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস দ্বারাওয়াশিংটন (এপি) - সাত বছর আগে শিকাগোতে একজন কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরকে মারাত্মক পুলিশ গুলি করে শহরের প্রাক্তন মেয়র রহম ইমানুয়েলকে বড়...
- বিজ্ঞাপন -

একটি মতামত জানান

আরো পরুনঃ  রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য সিরকার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন

অল্ট সোশ্যাল মিডিয়াঃ

237সমর্থকমত
6অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করুন
অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করুন
2অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করুন
10গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব
- বিজ্ঞাপন -

অলিম্পিক ২১ঃ

অলিম্পিক স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ক্লো কিম ২০২২ সালের বেইজিংয়ের জন্য প্রস্তুত

বিকাল :00:০০ ETশার্লট গিবসনইএসপিএন 16 বছর বয়সে পৌঁছানোর আগে স্নোবোর্ডার ক্লো কিম ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। কিম, এখন 21, X গেমের ইতিহাসে একমাত্র ক্রীড়াবিদ...

জিমন্যাস্টিক স্টারস মার্কিন অলিম্পিক পরিচালকদের বহিষ্কারের আহ্বান জানান

ওয়াশিংটন star ল্যারি নাসার যৌন অপব্যবহার কেলেঙ্কারির অভিযোগে সংগঠনের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য কংগ্রেসকে অনুরোধ করে মার্কিন অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক কমিটির ওপর বুধবার একদল...

মতামত | বেজিং টোকিওর অলিম্পিক ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে প্রস্তুত

টিম ইউএসএ টোকিও অলিম্পিকে একটি সাফল্য অর্জন করেছে, যার নেতৃত্বে সাঁতারু ক্যালেব ড্রেসেলের পাঁচটি স্বর্ণপদক। বিলম্বিত টোকিও ২০২০ গেমসের বড় বিজয়ী অবশ্য চীনা...

অলিম্পিক যত কাছে আসছে, চীনের পুরুষদের হকি দল নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে

এক বছরে যেখানে এনএইচএল ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিকে শর্তসাপেক্ষে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েছিল, তার বদলে অনেক কথাবার্তা স্বাগতিক দেশ চীনকে ঘিরে রেখেছিল। চীন কোন NHLers...

সদ্য প্রকাশিতঃ