Tuesday, June 15, 2021

শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – 16/08/2020 – অমিত গুপ্ত

শেয়ার বাজারের সেন্টিমেন্ট হামেশাই পরিবর্তিত হয় ও সেসব বিষয়টা কতটা গভীর সেটা বোঝাগেলেই রহস্য ভেদ করতে সুবিধা হয় কিন্তু এটা বাস্তবিকই কঠিনতম কাজ. তাহলে Investors রা কি করবে?

অবশ্যই পরুনঃ

বর্তমানের COVID19 দুর্যোগ সময়ে শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – মোটামুটি ভাবে ঘর বন্দী অবস্থায় ও সার্বিক ভাবে সচেতনতা বৃদ্ধির শুভ প্রচেষ্টায় ও সরকারের আন্তরিক নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টায় আমারা সচেতনতার বিষয়ে অনেকেই ইমুউন হয়ে গেছি।

আরো পড়ুনঃ শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – 26/07/2020

তাই আসুন এবার শেয়ার বাজারের দিকে চোখ ফিরিয়ে দেখি ওখান কার কি কর্মকান্ড চলছে। প্রথমেই বলে রাখি এই লেখনীর মূল উদ্দেশ্য ব্যাঙ্কের সেভিংস এর ইন্টারেষ্ট রেট কমে যাওয়ার কারনে মিডটার্ম ইনভেষ্টর দের সাহায্য করা যাতে তাদের পুজি সুরক্ষিত রেখে মূল ধনের পরিমান বৃদ্ধি করা যায়।
গত সপ্তাহের শুক্রবারের শেষ বেলায় নিফ্টির একটা বড় রকমের রিট্রসমেন্ট হলো যদিও তার দু একদিন আগে থেকেই নিফ্টির মুভমেন্ট ছিলোনা। নিফ্টি ডোজি ফরমেশন করছিলো। যাই হোক দেখা যাচ্ছে নিফ্টি ১১৩০০ – ১১৪০০ লেভেলে ধাক্কা খেয়ে ফিরে বারে বারে ফিরে আসছে তার পুরোন সাপোর্ট ১১১০০ বা তার নীচে ১০৭০০ তে তারপর আবার উর্ধমুখে যাত্রা করছে।

আরো পরুনঃ  শেয়ার বাজারে কেনাকাটা - ১৯-০৫-২০২০

আরো পড়ুনঃ শেয়ার বাজারের হাল হকিকত 19/07/2020

এখন যদি ১০৭০০ এর লেভেল ভাঙ্গে তখন বোঝাযাবে বিষয়টি আদতে ট্রেন্ডরিভার্সল কিনা। তবে উল্টোদিকে নিফ্টি তার ১১৩০০ – ১১৪০০ Strong Resistance কে ভেঙ্গে উপরের দিকে উঠে তখন এই লেভেলটাই তার Strong Support হবে ও সেক্ষেত্র নিফ্টি খানিকটা লম্বা দৌড়াবে 11900 পর্যন্ত।
যাই হোক দেখা যাক আগামী সপ্তাহে কি হয়।

আরো পড়ুনঃ শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – 12/7/2020

এখন কিছু স্টকের দিকে মনযোগ দেওয়া যাক।আমি ১৯০র ওপর জিন্দাল স্টিল কিনবার পরামর্শ দিয়েছিলাম আর টার্গেট ছিল ২১০। যা গতদিনে পার হয়ে এখন মূল্য ২১২.০। এই স্টকটিকেই এখন বলছি ২১০ কে স্টপলস ধরে কিনতে target ২১৫ ও ২২০। আরো একটা সম্ভবনা ময় স্টক টাইটান বর্তমান মূল্য ১১০২। এই স্টকটিকে ১০৭০ কিনতে পারলে ১০৬০ Stop loss দিয়ে কেনা যেতে পারে উপরের দিকে ১১৫০ ও তারপর ১১৮০ Target।

আরো পরুনঃ  ৬১ টা দুঃস্থ শিশুদের নতুন জামাকাপড় আর কিছু খাবার প্রদানের মাধ্যমে পয়লা বৈশাখ পালন - রইল ভিডিও

আরো পড়ুনঃ শেয়ার বাজারের হাল হকিকত

পরতি বাজারে ITC কেও কেনা যেতে পারে ১৮৫র কাছে পেলে ১৮০ কে stop loss করে Target ২২০।
আমি প্রথমত দেখবো বাজার উপরের দিকে যাচ্ছে কিনা, যদি যায় তাহলে ১১৪০০র ওপর পর পর দুতিন দিন sustain করে কিনা সেক্ষেত্রে কেনা কাটা নতুন করে শুরু করবো যেখানে Stop loss থাকবে ১১৪০০, ১১২০০, ১১১০০ এই ভাবে বাজার যদি ১১৪০০ র ওপর তার গতি পথ ঠিক করে নিয়ে চলে তবে তার চলাটা বেশ ভালই উর্ধগতিতে হবে ও বড় মাপের বৃদ্ধি হবে তখন ব্যাঙ্কিং স্টক গুলির কেনার দিকে নজর দেওয়া যাবে কারন এদের এখনো পর্যন্ত অনেকেই Over sold অবস্থায় আছে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি আরো একটু ভাল হলেই এরা পূর্নগতিতে ছুটে উপরের দিকের gap গুলিকে cover করবে তাই এদের Higher side movement ও ভাল হবে।

আরো পড়ুনঃ মূল্য বৃদ্ধি – কঞ্জিউমার প্রাইস ইন্ডেক্স (সি পি আই) আসলে কি? সি পি আই এর নেপথ্যে

তাছাড়া শেয়ার বাজারের সেন্টিমেন্ট হামেশাই পরিবর্তিত হয় ও সেসব বিষয়টা কতটা গভীর সেটা বোঝাগেলেই রহস্য ভেদ করতে সুবিধা হয় কিন্তু এটা বাস্তবিকই কঠিনতম কাজ. তাহলে Investors রা কি করবে?

আরো পরুনঃ  কোভিড- ১৯ ও দীর্ঘ লকডাউনে ভারতীয় অর্থনীতি ও জিডিপির ভূমিকা - অমিত গুপ্ত
আরো পরুনঃ  কোভিড- ১৯ ও দীর্ঘ লকডাউনে ভারতীয় অর্থনীতি ও জিডিপির ভূমিকা - অমিত গুপ্ত

আরো পড়ুনঃ স্বাস্থ পরিষেবা ক্ষেত্রের বিকাশ

এখন যদি উল্টো হয় অর্থাৎ নিফ্টির কারেকশন শুরু হয় তখন Stop loss গুলির দিকে নজর রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রফিট বুক করতে হবে বা Digest the loss before witnessing many more loss in coming days। তবে যারা Systematic investment করেন অর্খাত প্রতি মাসে বা সপ্তাহে একটা নির্দিষ্ট পরিমান টাকা বাজারে নিবেশিত করেন তাদের এই প্রচেষ্টা দীর্ঘকালিন ভিত্তিতে হয় সেক্ষেত্রে বাজারের ওঠা নামার বিষয়টি তারা consider করেন না তথাপি তাদের শেষ পরিশেষ গড় মূল্য অনেকটা ই লাভ জনক হয় যদি তারা নিবেশের জন্য সঠিক স্টক চিহ্নিত করে থাকেন।

আরো পড়ুনঃ শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – 5/7/2020

তাই বলছি ইনভেষ্টেররা BYE ON DEEPS করতেই পারেন.তবে কেনাকাটা করবেন কিনা তা নিজের পকেটের দিকে তাকিয়ে নিজেরাই ঠিক করবেন ও সে সিদ্ধান্ত আপনি নিজেই নেবেন আমি শুধু মাত্র আমার ব্যক্তিগত মতামত জানিয়েছি এবং তার কারন আগের লেখায় যা লিখেছি সেটাই অর্থাত্ কোভিড ১৯ চলাকালীন অবস্থায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ আর্থ-সামাজিক ইন্ডিকেটর যথা জিডিপি, আই আই পি, সিপিআই, স্পেন্ডিং ও মার্কেট কনফিডেন্স ইনডেক্স, এজেন্সিগুলি কতূক নির্ধারিত রেটিং এর মান ইত্যাদি কোনটিই ভাল অবস্থায় নেই।

আরো পড়ুনঃ “শহরে চাষ” বা “আর্বান কাল্টিভেষন” – ভারতীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার ভাল মানের ঔষধ

আরো পরুনঃ  শেয়ার বাজারের হাল হকিকত 19/07/2020 - অমিত গুপ্ত

পরিশেষে Investors দের Stock বাছার জন্য কিছু টিপস দিচ্ছি যেমন প্রথম কোম্পানি র balance sheet ভাল করে study করতে হবে। দেখতে হবে নীট প্রফিট রেশিও, ও সেখান থেকে EPS বা Earnings per share হিসাব করে যে কোম্পানির EPS যত বেশি সেই সব কোম্পানিতে invest করাই ভাল বলা হয়। আরো একটি বিষয়ে সতর্কতা আবার repeat করা আবশ্যক মনে করি তা হলো কোম্পানির মুলধন সাপেক্ষে debt বা বাজারে ধারের পরিমান যদি বেশী হয় সেক্ষেত্রে ইনভেষ্টরদের এই সব স্টককে এড়িয়ে যাওয়া উচিত হবে কারন এ ই সব স্টক হটাত করে ই একদিন গনেশ উল্টোয় যদিও এক্ষেত্রে তার প্রাইস মুভমেন্ট চার্ট যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন তবে ডেলি ট্রেডারস যারা সচরাচর স্টক ধরনের স্টক নিয়েই খেলাধুলা করেন বেশি। কারন এর থেকেই তারা চটজলদি লাভের আশা করেন যদিও এটা খুবই পিছল পথ ও লোকসানের সম্ভাবনাও যথেষ্ট বেশী থাকে। এই রকম স্টকের বেশ কিছু স্টকের নাম শেয়ার বাজারের অলিন্দে ঘোরা ফেরা করে যেমন হিমাচল ফিউচারাষ্টীক ,সত্যম, ইউনিটেক, জেপি এসোসিয়েটস। সম্প্রতি YES BANK, PUNJAB NATIONAL BANK, DHFL ইত্যাদি স্টক গুলির নামও এদের সঙ্গে সংযোযিত হয়েছে।

আরো পরুনঃ  শেয়ার বাজারের হাল হকিকত – 12/7/2020 – অমিত গুপ্ত

আরো পড়ুনঃ কোভিড- ১৯ ও দীর্ঘ লকডাউনে ভারতীয় অর্থনীতি ও জিডিপির ভূমিকা

ঘোষনা:- আমার বা আমার পরিবার শেয়ার বাজারের সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত বা স্বার্থ নেই।

- Advertisement -

আরো প্রতিবেদন

একটি মতামত জানান

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisement -

সদ্য প্রকাশিতঃ