Saturday, June 19, 2021

ভুয়ো ইনকাম ট্যাক্স অফিসারের নারী সঙ্গিনীর একাউন্ট ফ্রিজড ইনকাম ট্যাক্সের চিঠির জন্য – স্বপরিবারে প্রতারণার ব্যাবসা – কোটী টাকা তছরুপীর অভিযোগ #শেষ_অনির্বাণ

স্বপরিবারে প্রতারণার ব্যাবসা – কোটী টাকা তছরুপী – মিথ্যা অপহরণের মামলা ফাঁস করল কলকাতা পুলিশ।

অবশ্যই পরুনঃ

WB26 AW 1066 নাম্বারের VF Prime TUB 300 মডেলের এই লাক্সারী গাড়িটি বেমালুম বেপাত্তা বিগত মাস দুয়েক ধরেই। একদা ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্ট্মেন্টে ভাড়ায় চলা এই গাড়িটি লকডাউনের সময় থেকেই কাজ হারিয়েছিল। যে ভাড়ার উপর ভরসা করে মালিক নিশ্চিন্তে ছিলেন, সেই ভাড়া আচানক বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০,০০০/- টাকার মাসিক কিস্তি চোকানোর উপায় খুঁজে পান না বাগুইআটির কাজল রায়।

আরো পড়ুনঃ স্বপরিবারে প্রতারণার ব্যাবসা – কোটী টাকা তছরুপী – মিথ্যা অপহরণের মামলা ফাঁস করল কলকাতা পুলিশ।

এমতাবস্থায় অনির্বাণ সেনগুপ্তর দেওয়া ভাড়ার প্রস্তাবে হাতে স্বর্গ পেয়ে কিস্তি চোকানো ছাড়া সামান্য কিছু অতিরিক্ত ভাড়ার শর্তে গাড়িটি ব্যবহার করতে দিতে স্বাচ্ছন্দে রাজী হন। ভারত সরকারের বোর্ড ব্যবহার “না” করতেও অনুরোধ জানান। এর আগে অনির্বাণ বাবুর সাথে হোটেল ব্যবসা সুত্রে পুর্ব পরিচিত হবার কারণেই (পরের পর্বে বিস্তারিত) সম্পুর্ণ বিশ্বাস করে ফেলেছিলেন এবং সেই ব্যবসা জনিত কারণেই ১,৭৫,০০০/- এবং ১,৫০,০০০/- টাকাও দিয়েছিলেন কাজল বাবু।

আরো পরুনঃ  ১০০ বছর আগে শুরু হয়েছিল স্বদেশী 'মার্গো' সাবানের জয়যাত্রা , নেপথ্যে ছিলেন একজন বাঙালি : খগেন্দ্র চন্দ্র দাস - ঐক্য বাংলা

আরো পড়ুনঃ বিধবা মহিলার সাথে প্রতারণা ৪০ লাখেরও বেশী, মাণষিক যন্ত্রণা দিয়ে খুন করার চেষ্টা মামা – ভাগ্নীর ভুয়ো পরিচয়ে – স্বপরিবারে প্রতারণার ব্যাবসা – কোটী…

আরো পরুনঃ  পথশিশু ও দুঃস্থ পথচারী দের জন্য খাবার আর আবীর প্রদানের মাধ্যমে দোল উৎসব পালনের অনন্য উদ্যোগ বাঙালি বৈদ্য সমাজের।

যা আজ অবধি ফেরত পান নি এবং উপরি পাওনা হিসেবে ফিন্যান্সড গাড়ীর বিগত ৫ মাসের কিস্তি না পাওয়ায় হন্নে হয়ে খুঁজে বেড়িয়েও গাড়ির খোঁজ না পাওয়ায় ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার কথা ভেবে কুল কিনারা খুঁজে না পাওয়া। বহুবার চেষ্টা করেও অনির্বাণ বাবু বা তার নারী সঙ্গিনী শ্রীমতি কেয়া ভৌমিক (ভুয়ো স্ত্রী)র থেকে কোনো সদুত্তর খুঁজে না পেয়ে বাধ্য হন বাগুইআটি থানায় লিখিত অভিযোগ করতে।

আরো পড়ুনঃ মমতা ব্যানার্জী র পর কে হবেন বাংলার মুখ? কে কোন স্থানে অবস্থান করছেন?

প্রথম কয়েক মাস গাড়ির কিস্তি সরাসরি ব্যাঙ্কে জমা করে দিলেও বিগত ৫ মাস ধরে কোনো যোগাযোগই রাখছিলেন না অনির্বাণ বাবুরা। অথচ সেই গাড়ি ব্যবহার করে “নিজেকে ইনকাম ট্যাক্সের বড়কর্তা” পরিচয় দিয়ে নতুন করে জাল বুনছিলেন এই বহুরুপী।

লকডাউনে উক্ত গাড়িতে করেই কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিভিন্ন প্রান্তে গরীব মানুষদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিতে দেখা যায় অনির্বাণ সেনগুপ্তকে। আদপে তিনি প্রস্তুত করছিলেন পরবর্তী শিকারের জমি। জীবনতলার মুখার্জীপাড়ায় গরীবের ভগবান রূপী অনির্বাণ সেনগুপ্ত বশ করে ফেলেন জাহাঙ্গীর মোল্লাদের। তাঁদের প্রাণপাত করা শ্রমের ফসলকে পরিচয় দিতে থাকেন নিজের “খামার বাড়ী” রূপে।

আরো পরুনঃ  বিধবা মহিলার সাথে প্রতারণা ৪০ লাখেরও বেশী, মাণষিক যন্ত্রণা দিয়ে খুন করার চেষ্টা মামা - ভাগ্নীর ভুয়ো পরিচয়ে - স্বপরিবারে প্রতারণার ব্যাবসা – কোটী টাকা তছরুপীর অভিযোগ #শেষ_অনির্বাণ
আরো পরুনঃ  বিশ্বকবির অন্তিম সময় ও জনতা - অনিকেত চৌধুরী

একে একে সাড়া দিতে থাকেন অনেকেই। এঁদের মধ্যে বিশেষভাবে কনভিন্সড হয়ে পড়েন যাদবপুরের অমিতাংশু বাবুর মতো মানুষেরা। এপার বাংলা ছাড়াও ওপার বাংলার ছবি – ভিডিও প্রকাশিত হতে থাকে অনির্বাণ বাবুর সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে।

আরো পড়ুনঃ বাংলা ভাষাকে দিতে হবে অগ্রাধীকার – কোলকাতা মেট্রো কতৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিল ঐক্য বাংলা

লক ডাউনে যেখানে সবার প্রায় সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ, এমতাবস্থায় অনির্বাণ বাবুর এমন মনোরম পরিবেশে আউটিং, মাছধরার প্রস্তাবের লোভে পড়ে যান তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার বহু বন্ধু-বান্ধব। তাঁর নারী সঙ্গিনী কেয়া ভৌমিক (সেনগুপ্ত) এঁর “ফিস এন্ড ফিস” কোম্পানীতে ইনভেস্ট করে মোটা মুনাফা কামানোর প্রস্তাব দিতে থাকেন সেই উৎসুক বন্ধুদের। যে কোম্পানীতে নাকি কাজ করেন শয়ে শয়ে গরীব মানুষেরা। অনির্বাণ বাবু আর কেয়া দেবী তাঁদের কাছে ভগবান এমনটাই প্রচার করানো হতে থাকে ওদেরই দিয়ে, সামান্য কিছু রথের বিনিময়ে এবং প্রচুর লালসা দেখিয়ে।

আরো পড়ুনঃ আত্মহত্যা!! প্রাচীনকালের মুনি ঋষি থেকে আজকের হাইটেক দুনিয়ার রথী – মহারথীদের বক্তব্য! – নির্মাল্য দাশগুপ্ত

২০২০ র জুলাই মাসে অনির্বাণ সেনগুপ্তর স্ত্রী কেয়া ভৌমিক (সেনগুপ্ত) র “ফিস এন্ড ফিস” কোম্পানীর (ভুয়ো) সাথে মাসিক ৬০,০০০/- টাকা মুনাফার চুক্তিতে ১০,০০,০০০/- টাকা ইনভেস্ট করার চুক্তিপত্র সাক্ষর করেন অমিতাংশু বাবুর স্ত্রী। আগস্ট মাসে কেয়া দেবীর যে ব্যাংক একাউন্ট থেকে যথাসময়ে মুনাফার রাশি ক্রেডিট হয়, আজ তা ফ্রীজড। গুণমুগ্ধ হয়ে পড়েন অমিতাংশু বাবু। কোম্পানী এবং অনির্বাণ বাবুদের হয়ে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে প্রচার শুরু করেন।

আরো পরুনঃ  বাংলা ভাষাকে দিতে হবে অগ্রাধীকার - কোলকাতা মেট্রো কতৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিল ঐক্য বাংলা

আরো পড়ুনঃ পথ দেখালো বাংলা – প্রথম বৃহন্নলা বিচারপতি “জয়িতা মন্ডল”

সেপ্টেম্বরে পেমেন্ট পেতে কিছু দেরী হবে জেনেও আপত্তি করেন নি। তবে মাসের শেষ হলেও ঘুরতে থাকা এই ইনভেস্টরের মনে সন্দেহের সুত্রপাত হয়। তা বাড়তে থাকে অক্টোবর এও টাকা না পাওয়ায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে জীবনতলার ভেড়ী (খামার বাড়ী)র আসল মালিক জাহাঙ্গীর মোল্লা। আরো জানতে পারেন যে মানুষগুলিকে ভরসা করে তিনি দশ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করেছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই কয়েক কোটির তছরুপিতে অভিযুক্ত।

আরো পরুনঃ  বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ই-শুভেচ্ছা আর মাধবী মুখোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ সহকারে মুক্তি পেল বাইলেন - রইল ভিডিও লিঙ্ক

ক্রমশঃ

- Advertisement -

আরো প্রতিবেদন

একটি মতামত জানান

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisement -

সদ্য প্রকাশিতঃ