বায়োগ্যাস প্রকল্প ও শক্তির পূনর্নবীকরন ও গ্রামীন অর্থনীতির বিকাশ

দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শক্তির পূনর্নবীকরন ও বায়োগ্যাসের ব্যবহারিক উপযোগিতা ও কর্ম সংস্থানের সম্ভাবনা।

0
549
বায়োগ্যাস প্রকল্প ও শক্তির পূনর্নবীকরন ও গ্রামীন অর্থনীতির বিকাশ
- বিজ্ঞাপন -

দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শক্তির পূনর্নবীকরন ও বায়োগ্যাসের ব্যবহারিক উপযোগিতা ও কর্ম সংস্থানের সম্ভাবনা।

অমিত গুপ্ত

- বিজ্ঞাপন -

পুনর্নবীকরণ যোগ্য এনার্জির ব্যবহার বৃদ্ধি যেমন BIO- GAS, BIO- SLURRY এর Plant স্থাপন ও ফল স্বরূপ একদিকে পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা অপর দিকে উন্নত অর্থনীতি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সম্ভাবনাকেও সমৃদ্ধ করার যে প্রচেষ্টা ভারতবর্ষ জুড়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রকল্প করা হয়েছে সে বিষয়টির ওপর আলোকপাত করা যেতে পারে।

বিষয়টিকে পর্যালোচনা করলে প্রথমেই আমাদের জানা প্রয়োজন এই Product গুলির(ORGANIC FARMING,BIO -GAS, BIO- SLURRY ইত্যাদি )
“LIFE CYCLE PHASE ” সনাক্তকরণ ও এর সাথে নতুন কর্ম সৃষ্টির সম্ভাবনাই বা কি হতে পারে তার একটি আনুমানিক হিসাব পেশ করা।

বায়ো গ্যাস।

সর্বশেষ 6th অর্থনৈতিক আদমশুমারি (২০১২) প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে দেখা যাচ্ছে ভারতবর্ষে মোট গ্রামীণ উদ্যোগের সংখ্যা = ৩৪.৮০ মিলিয়ন (৫৯.৪.4%)
বর্তমানে ভারতে জৈব গ্যাস উদ্ভিদ সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের সংখ্যা = 4.54 মিলিয়ন আনুমানিক বায়ো গ্যাস প্ল্যান্টের সংখ্যার সম্ভাব্য ক্ষমতা = 2.34 মিলিয়ন। এখন পর্যন্ত আনুমানিক Market Penetration এর মোট শতাংশের পরিমান = 37%
ভারতীয় বাজারে এই ধরনের Entrepreneur সর্বমোট সম্ভাব্যতার পরিমান = 21.42 মিলিয়ন আনুমানিক গ্রামীণ কর্ম সংস্থানের সম্ভাব্য সংখ্যা– 107.7 মিলয়ন বা 10.7 কোটি।

গ্রামীন অর্থনীতি

ভারতবর্ষ GATT চুক্তি সাক্ষর করার জন্য বিশ্বের 124 টি দেশে উত্পাদিত জৈব ফার্মের জনিত উতপাদনের ও এর Technolgy Transformation এর রফতানির সুযোগ ব্যাপক ভাবে সূষ্টি হয়েছে যা অবশ্যই বিদেশী অর্থ উপার্জন বাড়িয়ে তোলার যথেষ্ট সুযোগ আমাদের সামনে তৈরি করেছে ।

আরো পরুনঃ  "লিঙ্গ সাম্যে বিশ্বাসী বলেই আমি নারীবাদ বিরোধী"- ঐক্য বাংলার নেত্রী সুলগ্না দাশগুপ্ত

এছাড়া বৈদ্যুতিক আলো, রান্নার গ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে Gas Import এর পরিমান কমিয়ে মহার্ঘ বৈদেশিক মুদ্রার খরচের পরিমান কমানো যেতে পারে এবম কয়লা বা থার্মাল পাওয়ার উৎপাদন ঘাটতির মোকাবিলাও করা যেতেপারে।

পরিবেশ দুষন সম্পর্কিত উদ্বেগ গুলি থেকে সৃষ্ট সমস্যাগুলিও মূলত জৈব সারের প্রয়োগ ও যথেচ্ছ কীট নাশক ব্যবহারের ওপর লাগাম টানলে অনেকটাই সফল ভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। বর্তমানে ভারতবর্ষে বাৎসরিক কীট নাশক ব্যবহারের পরিমান 6000 মেট্রিক টন যার মধ্যে শতকরা70 শতাংশ খরচ হয় কৃষিকাজের জন্য।

কৃষিকাজের জন্য কেমিকাল সারের পরিবর্তে জৈব সারের ব্যবহারের প্রচলনের মাধ্যমে কীটনাশকের ব্যবহার অন্তত শতকরা 25% কম হতে পারে যাহা আমাদের জল বায়ুও আকাশের দূষণের মাত্রা কমিয়ে মানব জীবনের তথা পরিবেশ সহায়ক বন্ধু হবে এছাড়া জমির উর্বরতা বজায় রাখা, কৃষিজমিতে জল সেচের পরিমান হ্রাস করে জল সঞ্চয় ব্যবস্থা উতকর্ষতা বৃদ্ধির সহায়ক পরিবেশ স্থাপন করা যেতে পারে।।

- বিজ্ঞাপন -