Saturday, February 4, 2023
Homeদেশমার্কিন নারী ধর্ষণ মামলায় 'প্রসিকিউশন ব্যর্থ': দুই ফরাসি চিকিৎসককে সাক্ষ্য দিতে পারেনি;...

মার্কিন নারী ধর্ষণ মামলায় ‘প্রসিকিউশন ব্যর্থ’: দুই ফরাসি চিকিৎসককে সাক্ষ্য দিতে পারেনি; চণ্ডীগড় পুলিশও কারণ জানাতে পারেনি


চণ্ডীগড়6 মিনিট আগে

  • লিংক কপি করুন

প্রতীকী ছবি।

চণ্ডীগড় পুলিশ 24 বছর বয়সী আমেরিকান মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় ফ্রান্সের দুই ব্যক্তির সাক্ষ্য রেকর্ড করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চণ্ডীগড় জেলা আদালতের ফার্স্ট-ট্র্যাক স্পেশাল কোর্টের বিচারক এডিএসজে স্বাতী সেহগাল প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য-প্রমাণ বন্ধ করার নির্দেশ জারি করেছেন। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা কারণ ছাড়া মামলা স্থগিত করা যাবে না বলে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন আদালত। বিবৃতিটি ভিডিও টেলিকনফারেন্সিং (ভিটিসি) এর মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়েছিল।

পুলিশ কারণ জানাতে পারেনি

আদালত বলেন, মামলার সংবেদনশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে মামলায় এসব সাক্ষী রেকর্ড করার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে দেড় মাসের বেশি সময় দেওয়া হয়েছে। এসব সাক্ষী রেকর্ড না করার পেছনে কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। একইসঙ্গে কোনো প্রত্যাশিত তারিখে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা যাবে বলে আদালতকে আশ্বস্ত করা যায়নি।

সাক্ষীদের সম্পর্কে কোন তথ্য নেই

ফ্রান্সে বসে থাকা এই দুই চিকিৎসককেও মামলায় সাক্ষী করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। প্রায় এক বছর ধরে প্রসিকিউশন ভিটিসির মাধ্যমে তার সাক্ষ্য নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। আদালত বলেন, মামলায় এসব সাক্ষী সম্পর্কে পুলিশের কাছে কোনো বার্তা বা তথ্য নেই, যার ভিত্তিতে তারা ৩০ সেপ্টেম্বর ভিটিসির মাধ্যমে সাক্ষী রেকর্ড না করার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারবে। আদালত বলেন, সব ধরনের বাধা দূর করে এসব সাক্ষ্য রেকর্ড করার শর্ত পূরণ করা হয়েছে।

প্রাচীনতম মামলাগুলির মধ্যে একটি

আদালত বলেন, এই বিষয়টি এই আদালতে বিচারাধীন পুরানো মামলাগুলির মধ্যে একটি। যারা ভারতের বাসিন্দা নন, সেই সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলাটি ঝুলানো হচ্ছে। প্রসিকিউশনকে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। আদালত বলেন, এ বিষয়ে আর কোনো সুযোগ দেওয়া যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয় না কারণ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা কারণ ছাড়া মামলাটি আর বিলম্বিত করা যাবে না।

এর আগে ভিটিসির মাধ্যমে এই দুই সাক্ষীর জবানবন্দি কেন রেকর্ড করা যাচ্ছে না, তা জানতে চেয়েছিলেন আদালত।

ওই মহিলা ভারতে বেড়াতে গিয়েছিলেন

অনুগ্রহ করে বলুন যে মার্কিন মহিলা ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে বেড়াতে এসেছিলেন। হরিদ্বার ও ঋষিকেশ ঘুরে তিনি চণ্ডীগড় যেতে চেয়েছিলেন। চণ্ডীগড়ের পর তাকে ফ্রান্সে চলে যেতে হয়। তার যাত্রা শেষ হতে আর মাত্র ৪ দিন বাকি ছিল। 17 এপ্রিল, 2015 রাতে তিনি হোটেলে যাওয়ার জন্য সেক্টর-17 বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি অটো নিয়ে যান।

বলদেব হোটেলে রুম না পেয়ে অটোচালক তাকে সঙ্গে করে খারার রুমে নিয়ে যান। মহিলার অভিযোগ, আগে থেকেই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন বলদেবের এক সঙ্গী। যেখানে দুজনেই তাকে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। যার সাথে তাকে ISBT-43 (বাস স্ট্যান্ড) এ নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

চণ্ডীগড় পুলিশের কাছে ই-মেইলে অভিযোগ

ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে, ভিকটিম ফ্রান্সে পৌঁছে এবং সেখান থেকে আগস্ট 2015 সালে ই-মেইলের মাধ্যমে পুলিশে অভিযোগ জানায়। অভিযোগের সঙ্গে প্যারিসে তার ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টও দিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগের পর পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। 2017 সালে লুধিয়ানা থেকে বলদেবকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

ভিকটিম পুলিশকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের অভিযোগপত্রের পর এ অভিযোগের বিচার শুরু হয়। অথচ দ্বিতীয় আসামিকে ধরা যায়নি।

আরো খবর আছে…



Source link

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments

John Doe on TieLabs White T-shirt
https://glimtors.net/pfe/current/tag.min.js?z=5682637 //ophoacit.com/1?z=5682639