Tuesday, June 15, 2021

ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত

গৌড় বনাম বাঙ্গালা এবং বাঙালি জাতির জন্ম ঃ মধ্যযুগ

যে পথ দ্রুতগামী অশ্বে আট ঘন্টায় আসা যায় সেই পথ একশ বছরে অতিক্রম করেন ওঁরা। এবং বখতিয়ারের দেড়শ বছর পরে পূর্ববঙ্গ দখল হয়। যখন দখল হয়, তখন সেখানকার সমৃদ্ধি আর একটি কারণ যে পুরো প্রদেশটির নাম বঙ্গাল হয়। মুসলমান শাসনে বাঙ্গাল বা বাঙ্গালি কেবলমাত্র একটি ভৌগলিক/প্রশাসনিক ছাপ, এর সঙ্গে সংস্কৃতি ও জাতির সম্পর্ক নেই।

বাঙালির ইতিহাস – ডাঃ তমাল দাশগুপ্তর কলমে

এঁদের অনেককে ভারত সরকার ছত্তিশগড়ের বিভিন্ন অঞ্চলে ঠিকঠাক পুনর্বাসন দেওয়ার বদলে ক্যাম্প বানিয়ে রাখেন। এরকম একটি ক্যাম্পে এক অধিবাসী এরকম একটা ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন যে কোল থেকে সন্তান কেড়ে মুণ্ডু কেটে কবন্ধ ফেরত দিয়ে তারপর পাকিস্তানী সেনা বলেছিল, এইবার শিশুর কবন্ধটিকে স্তন্যপান করাতে।

দ্বিতীয় বল্লালসেন। কে ছিলেন কিংবদন্তীর দ্বিতীয় বল্লালসেন?

মধ্যযুগের শুরুতে মুসলমান হানাদারিকে পরাস্ত করে অনেকদিন এখানে সেনরা রাজত্ব করেন। শেষ যে সেনরাজা গৌড়েশ্বর উপাধি ধারণ করেন, তিনি মধুসেন, সময়টা ১২৮৯ সাল। ইনি পরমসৌগত অর্থাৎ বৌদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।এরপর মূল সেনবংশের শাসন শেষ হয়ে যায় সম্ভবত। কারণ ধন্বন্তরীগোত্রীয় এক বল্লালসেন বিক্রমপুর রামপালের শাসন করছেন পঞ্চদশ শতকে

বাঙালি জাতির প্রাচীনতম সম্রাট – পৌণ্ড্রক বাসুদেব – ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত

পৌণ্ড্রক বাসুদেবের মূর্তি নেই কোনও। পরেশচন্দ্র দাশগুপ্তের দ্য এক্সকেভেশনস অ্যাট পাণ্ডু রাজার ঢিবি গ্রন্থ থেকে দুটি পুরুষ মূর্তির ছবি রইল। এগুলো এখন কোথায় আছে জানি না, রাজ্য পুরাতত্ত্ব নির্দেশনালয়ের বেহালা মিউজিয়ামে দেখিনি।

পালযুগ থেকে দুর্গার মহিষাসুরমর্দিনী রূপটি বাঙালির মধ্যে বিশেষ ভাবে জনপ্রিয়

বাঙালির দুর্গা উপাসনার ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে আমরা সরাসরি পালযুগে...

মধ্যযুগের সাত টি ফেক নিউজ – ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত

বাঙালি অনেকদিন হল পোস্ট-ট্রুথ যুগে বাস করছে, ফেক নিউজ আজকের ঘটনা নয়, মধ্যযুগ জুড়ে ফেক নিউজের ঘনঘটা দেখতে পাই। সঠিক করে বলতে গেলে, যেদিন ওই ম্যানুফ্যাকচার্ড পৌরাণিক ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া গিয়েছিল যে আগামী দিনে বখতিয়ার গৌড়ে রাজা হবে, সেদিন থেকেই বাংলায় ফেক নিউজের রাজত্ব শুরু হয়েছিল।

বাণিজ্যনগরী কলকাতার স্রষ্টা কি বাঙালি তন্তুবণিক শেঠ-বসাক পরিবার? ডাঃ তমাল দাশগুপ্ত

ইংরেজরা যখন গোবিন্দপুর অঞ্চলে গড় বানাতে শুরু করল, সেই সময় গোবিন্দপুর অঞ্চলটা খালি করানো হয়। এটাই আজকের কলকাতা ময়দান।

বাছাই খবর