Monday, June 14, 2021

রাজনীতি

সফেদ ঝুট বিজেপি র। সরানো হল বিজ্ঞাপন, কুলুপ কর্মী সমর্থকদের মুখে… ঘর না পেলেও রাতারাতি ফেমাস লক্ষী দেবী।

মাসিক ৫০০ টাকার ভাড়ায় থাকা ঝুপড়িতে থাকা লক্ষীদেবী নিজেই জানেন না যে বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত সেই ছবি কবে তোলা হয়েছিল আর কেই বা তুলেছিল। অথচ তাঁর ছবির পেছনে আস্ত একখানা পাকা ঘর দেখানো হয়েছে বিজ্ঞাপনে।

ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী – ঐক্য বাংলা’র প্রতিবাদের জের!

এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদ্রোহী ও বাঙালি বিদ্বেষীদের কাছে একটি বার্তা দেবে যে বাঙালি জাতির মহীরুহদের অপমান করে পার পেয়ে যাওয়ার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। ঐক্য বাংলা সেটা সুনিশ্চিত করছে এবং করবে।

বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বহুমুখী কর্মসূচির আয়োজন করল ‘ঐক্য বাংলা

"পৌষ মেলার মাঠে 'sex racket' ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চলে" মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে বহুমুখী অনলাইন কর্মসূচির আয়োজন করল বাংলার প্রথম মুক্তপন্থী বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন 'ঐক্য বাংলা'।

ভারত রত্ন – স্বাধীনতা সংগ্রামী পুত্র – প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী প্রয়াত।

দলের প্রতি আনুগত্য ও অসামান্য প্রজ্ঞা এই বাঙালি রাজনীতিবিদকে কংগ্রেস দলে ও এমনকি দলের বাইরেও বিশেষ শ্রদ্ধার পাত্র করেছে। দেশের প্রতি অবদানের জন্য তাকে ভারতের সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্ন ও পদ্মবিভূষণ এবং শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

চিরবিদায় জানালেন প্রণব মুখার্জী – একমাত্র বাঙালি (প্রাক্তন) রাষ্ট্রপতি

ডায়াবেটিসের পরোনো সমস্যা তো ছিলই, অস্ত্রপ্রচারের ধাক্কা, ফুস্ফুসের সমস্যা, মুত্রাশয়ের সমস্যা, কোভিড সমস্যা - সবার যৌথ আক্রমণ প্রতিহত করে কোমা থেকে বাইরে আসা হলো না এই ভারত রত্নের।

বাঙালি জাতির উদ্দেশ্যে নিকৃষ্টতর উক্তি বিজেপির সদস্য তথা ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের

বিজেপির সদস্য তথা ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় এক সাক্ষাৎকারে আবার বললেন যে অধিকাংশ বাঙালি মহিলা যারা কর্মসূত্রে মুম্বাই যান তাঁরা অনেকেই "বার-নর্তকী "র পেশায় আছেন। এছাড়াও যে বাঙালি পুরুষকর্মীরা ভিন রাজ্যে চাকরি করতে যান তাঁরা বেশীরভাগ সাফাই কর্মী। উনি শুধু এই মন্তব্য করেই ক্ষান্ত হননি, হাস্যকর কিছু যুক্তি দিয়ে তাঁর মন্তব্যকে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাও করেছেন।

মমতা ব্যানার্জী র পর কে হবেন বাংলার মুখ? কে কোন স্থানে অবস্থান করছেন?

"মা-মাটি-মানুষ" স্লোগানটি ২০১১ থেকে ধরে রাখতে পারলেও তৃণমুল সুপ্রীমো ধরে রাখতে পারেননি দলে বহু প্রথম সারির নেতাদের। তাঁদের কেউ বা অন্য দলে যোগ দিয়েছেন দলের প্রতি বিক্ষোভ প্রকাশ করে, কেউ বা সরেছেন চাপে পড়ে। মোদ্দা কথা বাঙ্গলার মানুষকে "দুর্নীতিমুক্ত সরকার" দেবার অঙ্গীকার থেকে ধীরে ধীরে পেছনে হাঁটতে বাধ্য হতে হয়েছে মমতা ব্যানার্জী কে। তাঁর নিজের ভাই, ভাইপো সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা - মন্ত্রী - বিধায়কদের বিরুদ্ধে আসা আর্থিক তছরূপির অভিযোগ, তোলাবাজী, স্বজনপোষন ইত্যাদি অভিযোগে জর্জরিত তৃণমুল সুপ্রীমোকে প্রতি মুহুর্তে সংঘর্ষ চালিয়ে যেতে হচ্ছে অস্তিত্ত্ব রক্ষার জন্য।

রাজীব গান্ধীকে কারা খুন করেছিল? কেন খুন করেছিল? – নির্মাল্য দাশগুপ্ত

রাজীব গান্ধীকে কারা খুন করেছিল? প্রভাকরণের দল এলটিটিই। কেন...

রাজনীতিতে ভোট রঙ্গ – অমিত গুপ্ত

ভোট রঙ্গে সাধারনতঃ দুই ধরনের ভোটার আছে, রাজনৈতিক...

“পি এম কেয়ার ফান্ড” এর তথ্য জানাতে অস্বীকার করল পি এম ও। এ কোন কৌশল? কেনই বা?

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরটিআই-এর আওতায়" পিএম কেয়ার্স ফান্ড" সম্পর্কে কোনও...

বাছাই খবর